Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

আস্তিক, নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী, মানবতাবাদী এবং পূজা পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্যোঃ

Go down

আস্তিক, নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী, মানবতাবাদী এবং পূজা পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্যোঃ Empty আস্তিক, নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী, মানবতাবাদী এবং পূজা পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্যোঃ

Post by Admin on 2013-06-20, 01:39

আস্তিক, নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী, মানবতাবাদী এবং পূজা পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্যোঃ

আস্তিক, নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী, মানবতাবাদী সবাইকে নিয়েই আমরা কাজ করি। সনাতন দর্শনের সাথে কারো দ্বিমত থাকতে পারে না কারণ সনাতন দর্শন মতে প্রকৃতি-ই- ঈশ্বর। বস্তুবাদী, মানবতাবাদী বা নাস্তিকরা ও তাই মানেন। বাকি যা আছে তা হলো সামাজিক রীতি নীতি যাকে ধর্ম ভেবে অনেকেই ভুল করেন।

যেমনঃ পূজা; এর উদ্দেশ্যই হলো প্রকৃতি কে সমুন্নত রাখা।

এখন প্রস্ন আসতে পারে কিভাবে?
এর উত্তর হলো - আমাদের যে কোন পূজায় দেখবেন গাছ পালা, ফল, ফুল, বিভিন্ন উৎসের জল এর ব্যবহার। আম, তুলশী, দূর্বা, কলা, নীম, বট, অশ্বত্ব, হরিতকি, বিভিন্ন ফল, ফুল আবার নদীর জল, সমুদ্রের জল, ঝর্নার জল, শিশির জল ইত্যাদি ইত্যাদের ব্যাপক ও সর্বাধিক ব্যবহার। সুতরাং পূজা মানে প্রকৃতি পূজা।

এখন প্রস্ন হলো দেবতারা কি এই ফলমূল গ্রহণ করেন?
উত্তরঃ করেন না।

তাহলে কেন তাঁদের কে এই সব দেওয়া হয়?
এক সময় মানুষ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছিলো এবং তখন মানুষের নৈতিক শিক্ষার এক মাত্র অবলম্বন ছিলো ধর্ম। তাই আচার-আচরণের মাধ্যমে এবং দেব দেবীর উদারহণ দিয়ে মানব জাতিকে বুঝানো হয়েছে যে, প্রকৃতি-ই- হলো ঈশ্বর। প্রকৃতি বাঁচলে প্রাণ বাঁচবে। তাই প্রকৃতিকে রক্ষা করতে হবে। এখন আপনি যদি পূজা করেন তবে আপনাকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা লাগাতেই হবে। এক এক গাছের ফল ও ফুল এক এক প্রাণীর খাদ্য। আবার এক প্রাণী অন্য প্রাণীকে খেয়ে বেঁচে থাকে। তাই একটা প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়া মানে তার সাথে সাথে অনেক গুলি প্রজাতি অস্তিত্বের হুমকির সন্মুখিন হওয়া।

আমাদের হিন্দু বারিগুলিকে দেখলেই চিন্তে পারবেন। দেখবেন শহরের যে সব বাসার জানালাতে তুলশী বা ফুলের গাছ থাকে সেই বাসাটা হিন্দু বাসা। প্রায় ৯০% হিন্দু তাঁদের বাসস্থানে কোন না কোন গাছ লাগিয়ে রাখে। আর আবাসভূমি যদি গ্রামে হয় তাহলে সেই বাড়িতে দেখবেন আম, কাঁঠাল, নীম, তুলশী, কলা, ফুল গাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির কাজ। এক কথায় প্রকৃতিকে রক্ষা কর।

পূজা পদ্ধতি যারা মানেন না তাঁরাও বৃক্ষ রোপন করেন, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বনজ গাছ লাগান। যার ফলে খাদ্যাভাবে অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেক সম্প্রদায়ের মানুষ ফুল গাছ লাগান না। ফুলের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে এমন অনেক কীট পতঙ্গ ও প্রাণী রয়েছে যেমনঃ মৌমাছি, টুনটুনি এই জাতীয় কীট ও পাখী।

সুতরাং পূজা পদ্ধতি মানে প্রকৃতি পূজা। তাই যারা পূজা পদ্ধতির সমালোচনা করেন তাঁদের উদ্দেশ্য বলবো - না জেনে সমালোচনা করা উচিৎ নয়।

আবার আমাদের দেব দেবী দের দিকে দেখুন এক এক জন এক একটা প্রাণী কে নিজের বাহন হিসাবে নিয়েছেন।

এখন বলুন গণেশ দেবতা কি ইঁদুরের পিঠে চড়ে বেড়ান? বা মা লক্ষ্মী কি পেঁচার পিঠে চরে বেড়ান?
উত্তরঃ একদম না। বিভিন্ন দেবতা বিভিন্ন বাহন ধারণ করে আমাদের বুঝিয়েছেন যে প্রাণী কূলকে রক্ষা করতে হবে; যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ইকোসিস্টেম বলে। এক প্রাণী অন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। তাই সব প্রাণীর প্রয়োজন রয়েছে প্রকৃতিতে।

সনাতন দর্শনের এই সব বিষয় না জেনেই আমরা আমাদের ধর্ম পালন করি। তাই জন্তে হবে আগে। কোন ভাবেই না জেনে খারাপ মন্তব্য করবেন না কেউ। নাস্তিক বা প্রকৃতিবাদীদের সাথে সনাতনের কোন বিরোধ থাকতে পারেনা।

ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুন
গর্বের সাথে বলুন আমরা বৈদিক, আমরা সনাতন, আমরা হিন্দু

পোষ্টটি বড় হলেও একটু কষ্ট করে পরে নিবেন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান।


by linkon chakroborti
Admin
Admin
এডমিন
এডমিন

পোষ্ট : 811
রেপুটেশন : 41
নিবন্ধন তারিখ : 19/11/2010

http://melbondhon.yours.tv

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum