Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

সাম্প্রতিক সামাজিক

Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 15:20

সাম্প্রতিক সামাজিক

আমাদের সমাজে নানাবিধ কর্ম সাধিত হয়ে থাকে যা আমরা ইসলামী কার্য্য বলে মনে করে থাকি। যা আসলে ইসলামী কাজতো নয়ই, বরংচ ইসলাম পরিপন্থী। তারই কিছু নিদর্শণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান, তার উপর ক্লিক করুন।


"বিষয়ঃ বর্তমানে বিবাহ অনুষ্ঠান"

"বিষয়ঃ মাজার ব্যবসা"

"বিষয়ঃ পর্দা ও ইভটিজিং"


Last edited by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 16:15; edited 4 times in total
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 15:25

"বর্তমানে বিবাহ অনুষ্ঠান"

বিবাহ একটি পবিত্র কাজ। কিন্তু আমাদের সমাজে বর্তমানে বিবাহ অনুষ্ঠান যেভাবে হয়ে থাকে, তা আসলেই খুবই দুঃখজনক। এখানে পুরুষ-মহিলারা অবাধে মেলামেশা করছে। এতে কারও কোন ভ্রুক্ষেপও নেই। মহিলাদের পর্দা করা যে কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা আমরা সকলেই জানি। তারপরও তা আমরা মানি না। আজকের সময়ে বিবাহের অনুষ্ঠানেও যেন মেয়েদেরকে পণ্য স্বরূপ প্রদর্শণ করা হয়।

আমরা বাজার থেকে যখন কোন পণ্য (যেমন- শার্ট, প্যান্ট, হাত ঘড়ি, টুপি প্রভৃতি) খরিদ করি, তা আমাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সামনে প্রদর্শণ করে কেমন হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করি। এও জিজ্ঞাসা করি যে সমাজে সকলের সামনে প্রদর্শণ করার মত কি না? ঠিক তেমনিই আজকাল যখন কেউ বিবাহ করছে, তারপর তার স্ত্রীকে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সামনে বে-পর্দায় উপস্থাপন করে জিজ্ঞাসা করছে এই বউ সমাজে চলবে কিনা? সকলের সামনে প্রদর্শণ করা যাবে কিনা?

এছাড়াও বিবাহের সময় বর ও কন্যাকে জট্টিল মেকাপ করে ষ্টেজের উপর বসিয়ে রাখা হয় যাতে যে কেউ এসে যেন তাকে দেখতে পারে, যেমনটা আমরা সচরাচর কোন পণ্য দোকানে সাজিয়ে রাখতে দেখি।
তাহলে আজকে বউ আর বাজারের পণ্যের মধ্যে পার্থক্য রইল কৈ?

উক্ত বিবাহের অনুষ্ঠানে শুধু কন্যাকেই পণ্য স্বরূপ সাজিয়ে রাখা হয় না, উক্ত অনুষ্ঠানে যারা দাওয়াত খেতে আসে তাদের মধ্যে মহিলাদের এক ধরনের প্রতিযোগীতা থাকে যে, কে কার চেয়ে বেশি সুন্দরভাবে সেজেগুজে সকলের সামনে নিজেকে পণ্য স্বরূপ উপস্থাপন করতে পারে যাতে পুরুষরা তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করে।

আসলেই মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের ও প্রশ্নের বিষয় যে, আমাদের রুচি কত নিম্নগামী হেয়ে গেছে।

আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক মানুষকে যেমন পেটের ক্ষুধা দিয়েছেন, তেমনি যৌন ক্ষুধাও দিয়েছেন। পুরুষের জন্য মহিলা ও মহিলার জন্য পুরুষ। তবে সে ক্ষুধা নিবারনের জন্য আল্লাহ তায়ালা পবিত্র বিবাহের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন।

আল্লাহ-পাক বলেছেনঃ
"(হে নবী), তুমি মোমেন পুরুষদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে (নিম্নগামী ও) সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান সমূহকে হেফাযত করে; এটাই (হচ্ছে) তাদের জন্য উত্তম পন্থা; (কেননা) তারা (নিজেদের লজ্জাস্থান দিয়ে) যা করে, আল্লাহ তায়ালা সে সম্পর্কে পূর্ণাংগভাবে অবহিত রয়েছেন।"
[সূরা আন্ নূর: আয়াত-৩০]
এবং

"(হে নবী, একইভাবে), তুমি মোমেন নারীদেরও বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিন্মগামী করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাযত করে, তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শণ করে না বেড়ায়, তবে তার (শরীরের) যে অংশ (এমনিই) খোলা থাকে (তার কথা আলাদা), তারা যেন তাদের বক্ষদেশ মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে রাখে, তারা যেন তাদের স্বামী, তাদের পিতা, তাদের শ্বশুর, তাদের ছেলে, তাদের স্বামীর (আগের ঘরের) ছেলে, তাদের ভাই, তাদের ভাইয়ের ছেলে, তাদের বোনের ছেলে, তাদের (সচরাচর মেলামেশার) মহিলা, নিজেদের অধিকারভূক্ত সেবিকা দাসী, নিজেদের অধীনস্থ (এমন) পুরুষ যাদের (মহিলাদের কাছ থেকে) কোনো কিছুই কামনা করার নেই, কিংবা এমন শিশু যারা এখনো মহিলাদের গোপণ অংশ সম্পর্কে কিছুই জানে না- (এসব মানুষ ছাড়া তারা যেন) অন্য কারো সামনে নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, (চলার সময়) যমীনের ওপর তারা যেন এমনভাবে নিজেদের পা না রাখে- যে সৌন্দর্য তারা গোপন করে রেখেছিল তা (পায়ের আওয়াজে) লোকদের কাছে জানাজানি হয়ে যায়; হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, (ত্রুটি বিচ্যুতির জন্যে) তোমরা সবাই আল্লাহর দরবারে তাওবা করো, আশা করা যায় তোমরা নাজাত পেয়ে যাবে।"
[সূরা আন্ নূর: আয়াত-৩১]

অতএব, উপরোক্ত আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, পুরুষদেরকে প্রথমে তাদের চক্ষু নিন্মগামী করতে বলা হয়েছে ও অতঃপর মহিলাদের এবং আল্লাহ নির্দেশিত লোকগণ ব্যতিত অন্য কাহারোও সম্মুখে মহিলাদের বে-পর্দায় উপস্থিত হতে নিষেধ করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ-পাক আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।
### নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞানী ###

বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রশ্নঃ
[সূত্রঃ মাসিক আত-তাহরীক; ১৪তম বর্ষ ৫ম সংখ্যা, ফেব্রুয়ারী ২০১১]
প্রশ্নঃ যে বিবাহ অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষের অবাধে মেলামেশা, গান-বাজনা ও শরী'য়াত বিরোধী কার্যকলাপ হয়, সেই দাওয়াতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি?

উত্তরঃ এ ধরনের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করা উচিত নয়। আল্লাহ তাঁর রাসূলকে বলেন, "ঐসব লোকেদর পরিত্যাগ করুন যারা তাদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে। [সূরা আন'আম: আয়াত-৭০]

সর্বদা আল্লাহকে স্মরণ করুন।
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by Guest on 2011-03-16, 15:33

অনেক ভালো লাগল। সাম্প্রতিক সামাজিক 130837(+)দিয়েদিলাম
Anonymous
Guest
Guest


Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 15:56

মোঃমাহমুদুর রহমান সুজয় wrote:অনেক ভালো লাগল। সাম্প্রতিক সামাজিক 130837(+)দিয়েদিলাম

আপনাকে ধন্যবাদ।
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 16:05

মাজার ব্যবসা

বর্তমান সমাজে 'মাজার ব্যবসা' নামে একটি কঠিন ব্যবসা শুরু হয়েছে।

উপকরণঃ-
একটি কবর (কার, জানি না),
সাজানোর জন্য কিছু জিনিসপত্র
ও কয়েকজন চেলা।

-উক্ত উপকরণ থাকলেই যে কেউ নেমে যেতে পারেন মাজার ব্যবসায়।
নিশ্চিত থাকতে পারেন এই ব্যবসায় লোকসানের চেয়ে লাভের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশী।

এবার আসা যাক আসল বিষয়ে। কয়েকজন চেলা জোগার করা যাবে, সাজানোর জিনিসপত্রও পাওয়া যাবে, কিন্তু কবর পাবেন কোথায়?

যদি কারও লাশ দিয়ে কবর বানিয়ে নিতে পারেন তো খুবই ভালো। আর যদি না পারেন, তাতেই চিন্তার কিছু নেই। ইট বিছিয়ে, গাছের ডাল বিছিয়ে, এছাড়াও যে কোন মৃত পশু (যথা-কুকুর, বিড়াল প্রমূখ)-কে বিছিয়ে নিয়ে কবর বানাতে পারেন। কবর বানাতে উল্লেখিত বস্তু না পেলেও টেনশন করবেন না। খালি কবর বানালেও কাস্টমার পাবেন।

তবে সাবধান। যাই করতে চান একরাতেই করতে হবে। কেননা, কবর বানাতে কয়েকদিন লেগে গেলে সবাই বুঝে যাবে। তাই একরাতের মধ্যে চেলাদের দিয়ে কবর বানিয়ে ফেলে সকালে গুজব ছড়িয়ে দিবেন ওমুক বাবার উদয় হয়েছে। ব্যস আপনার কাজ শেষ। তারপর যা করার আপনার চেলারা আর বলদ জনগণরাই করবে।

এতে বেশ কয়েকটি লাভও আছে। আপনি নিশ্চিত ঐ জমির মালিক হয়ে যাবেন (জমি যারই হোক, সরকারের বা কোন জনসাধারণের) এবং অনেকে আপনাকে মাজারের লোক জেনে সম্মানও দিতে পারে।

"মূল কথা"

উপরে যেভাবে বর্ণনা করা হলো ঠিক সেভাবে হয়তোবা বা অন্য কোনভাবে আমাদের সমাজে মাজার ব্যবসার ব্যাপক প্রচলন আছে। দিন দিন এর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা কিনা আমরা মুসলিম জাতির জন্য আসলেই লজ্জাজনক।

অবুঝ মানুষরা কি করছে তারা তা জানে না। তাদের সামনে যে কি ভয়াবহ শাস্তি রয়েছে তা সম্পর্কেও তারা অবহিত নয়। আসলে এই সকল মাজারে গিয়ে অবুঝরা কি করে? তারা সেখানে গিয়ে নানা রকম মানত করে। সেখানে সাহায্য চায়। সন্তান, চাকুরী, স্ত্রী সহ বিভিন্ন জিনিস প্রাপ্তীর আশায় তারা সেখানে প্রার্থণা করে। তাদের কি এটুকু জ্ঞান নেই 'যে কিনা তার নিজের হিসাব নিয়ে কিছু বলার কোন অধিকার রাখে না, সে কিনা অন্যকে সাহায্য করবে।'

আবার অনেকে বলে যে, বাবার মাজারে গিয়ে আমার আশা পুরণ হয়েছে।

তাদের জন্য এই প্রবাদটি প্রযোজ্য, "ঝড়ে বাগে বাঘ মরে, ফকিরের কেরামতি বাড়ে।"

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট যুগে যুগে নবী-রাসূলদের পাঠিয়েছেন সঠিক দিক নির্দেশনার উদ্দেশ্যে। তাদের নিকট ওহী পাঠাতেন এবং বিভিন্ন কিতাবও নাজিল হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা পেয়েছি মহাগ্রন্থ 'আল-কোরআন' যা ব্যতীত অন্য কোন কিছুই প্রয়োজন নেই কাউকে সঠিক পথে চলার জন্য।

সুতরাং কুরআন পড়ুন ও বোঝার চেষ্টা করুন এবং সমাজের নানাবিধ ধোকা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য একমাত্র আল্লাহর নিকটই প্রার্থণা করুন।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"তোমাদের মাবুদ হচ্ছেন একজন, তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মাবুদ নেই, তিনি দয়ালু, তিনি মেহেরবান।"
[সূরা-আল বাক্বারা: আয়াত-১৬৩]


যারা মাজারে সচারচর যান তাদের জন্য,
"সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তায়ালার জন্যে, যিনি আকাশমালা ও ভূমন্ডল পয়দা করেছেন। তিনি অন্ধকারসমূহ ও আলো সৃষ্টি করেছেন; অতপর যারা আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করে, তারা (প্রকারান্তরে এর দ্বারা অন্য কিছুকেই) তাদের মালিকের সমকক্ষ হিসেবে দাঁড় করায়।"
[সূরা-আল আনয়াম: আয়াত-১]

"(আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে,) তুমি কখনো আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে এমন কাউকে ডেকো না, যে তোমার কোনো কল্যাণ (যেমন) করতে পারে না, (তেমনি) তোমার কোনো অকল্যাণও সে করতে পারে না, (এ সত্বেও) যদি তুমি অন্যথা করো, তাহলে অবশ্যই তুমি যালেমদের মধ্যে গণ্য হবে।"
[সূরা- ইউনুস: আয়াত- ১০৬]


যারা মনে করেন মাজারের বাবারা গায়েব সম্পর্কে জানেন তাদের জন্য,
"গায়েবের চাবিগুলো সব মহান আল্লাহর হাতেই নিবদ্ধ রয়েছে, সে-ই (অদৃশ্য) খবর তো তিনি ছাড়া আর কারোই জানা নেই, জলে-স্থলে (যেখানে) যা কিছু আছে তা শুধু তিনিই জানেন; (এই সৃষ্টিরাজির মধ্যে) একটি পাতা কোথাও ঝরে না যার (খবর) তিনি ছাড়া অন্য কেউ জানে, মাটির অন্ধকারে একটি শস্যকণাও নেই- নেই কোনো তাজা সবুজ, (কিংবা ক্ষয়িষ্ণু) শুকনো (কিছু), যার (পূর্ণাংগ) বিবরণ একটি সুস্পষ্ট গ্রন্থে মজুদ নেই।"
[সূরা- আল আনয়াম: আয়াত- ৫৯]


মাজারে গিয়ে যারা সিজদাহ করেন (যা কিনা হিন্দুদের মূর্তি পূজার সমতুল্য, কেননা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট সিজদাহ করা নিষিদ্ধ।) ও যারা মাজারের বাবার কাছে তার রেযেক চান তাদের জন্য,
"তোমরা তো আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে কেবল মূর্তিসমূহের পূজা করো এবং (স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে) মিথ্যা কথা উদ্ভাবন করো; আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে যেসব মূর্তির তোমরা পূজা করো, তারা তোমাদের কোনোরকম রেযেকের মালিক নয়, অতএব তোমরা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার কাছেই রেযেক চাও, শুধু তাঁরই এবাদত করো এবং তাঁর (নেয়ামতের) শোকর আদায় করো; (কেননা) তোমাদের তাঁর কাছেই ফিরিয়ে নেয়া হবে।"
[সূরা- আল আনকাবুত: আয়াত-১৭]



"যমীনের ওপর বিচরণশীল এমন কোনো জীব নেই, যার রেযেক (পৌঁছানোর দায়িত্ব) আল্লাহর ওপর নেই, তিনি (যেমন) তার আবাস সম্পর্কে অবহিত, (তেমনি তার মৃত্যুর পর) তাকে যেখানে সোপর্দ করা হবে তাও তিনি জানেন; এসব (কথা) সুস্পষ্ট গ্রন্থে (লিপিবদ্ধ) আছে।"
[সূরা-হুদ: আয়াত-৬]


যারা তার নিজের রেযেকের পরিমাণে সন্তুষ্ট না হয়ে মাজারে যান তাদের জন্য,
"আল্লাহ তায়ালা যার জীবনোপকরণে প্রশস্ততা দিতে চান তাই করেন, আবার যাকে তিনি চান তার রেযেক সংকীর্ণ করে দেন; আর এরা এ বৈষয়িক জীবনের ধন সম্পদের ব্যাপারেই বেশী উল্লসিত হয়, অথচ আখেরাতের তুলনায় এ পার্থিব জীবন (কিছু ক্ষণসন্থায়ী) জিনিস ছাড়া আর কিছুই হবে না।"
[সূরা-আর রা'দ: আয়াত-২৬]


যারা বলেন সরাসরি আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থণা করা যায় না, কারও মাধ্যমে করতে হবে তাদের জন্য,
"তুমি (আরো) বলো, আমার মালিক তো শুধু ন্যায়-ইনসাফেরই আদেশ দেন, (তাঁর আদেশ হচ্ছে,) প্রতিটি এবাদতেই তোমরা তোমাদের লক্ষ্য স্থির রাখবে; তাকেঁই তোমরা ডাকো, নিজেদের জীবন বিধানকে একান্তভাবে তাঁর জন্যে খালেস করে; যেভাবে তিনি তোমাদের (সৃষ্টির) শুরু করেছেন সেভাবেই তোমরা (আবার তার কাছে) ফিরে যাবে।"
[সূরা- আল আ'রাফ: আয়াত-২৯]



"মহান আল্লাহ তায়ালা, তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, তিনি অনাদি এক সত্তা, ঘুম (তো দূরের কথা, সামান্য) তন্দ্রাও তাকেঁ আচ্ছন্ন করে না; আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তার সব কিছুরই একচ্ছত্র মালিকানা তাঁর; কে এমন আছে যে তাঁর দরবারে বিনা অনুমতিতে কিছু সুপারিশ পেশ করবে? তাদের বর্তমান ভবিষ্যতের সব কিছুই তিনি জানেন, তাঁর জানা বিষয়সমূহের কোনো কিছুই (তাঁর সৃষ্টির) কারো জ্ঞানের সীমা পরিসীমার আয়ত্তাধীন হতে পারে না।"
[সূরা-আল বাক্কারা: আয়াত-২৫৫]


এবং পরিশেষে যারা মনে করেন মাজারের বাবা কারও উন্নতি করতে পারে তাদের জন্য,
"(হে নবী, এদের) তুমি জিজ্ঞেস করো, আসমানসমূহ ও যমীনের মালিক কে? তুমি (তাদের) বলো, একমাত্র আল্লাহ তায়ালা, (আরো) বলো, তোমরা কেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে অপরকে নিজেদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করছো, যারা নিজেদের কোনো লাভ লোকসান করতে সক্ষম নয়; তুমি (এদের) জিজ্ঞেস করো, কখনো অন্ধ ও চক্ষুমান ব্যক্তি কি সমান হয়, কিংবা অন্ধকার ও আলো কি কখনো সমান হয়? অথবা এরা আল্লাহর সাথে এমন কিছুকে শরীক করে নিয়েছে যে, তারা আল্লাহর সৃষ্টির মতো (কিছু) বানিয়ে দিয়েছে, যার কারণে সৃষ্টির ব্যাপারটি তাদের কাছে সন্দেহের বিষয়ে পরিণত হয়ে গেছে; তুমি তাদের বলো, যাবতীয় সৃষ্টির স্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা, তিনি একক ও মহাপরাক্রমশালী।"
[সূরা-আর রা'দ: আয়াত-১৬]

যে কিনা তার নিজের কোন উপকার করতে পারে না, সে অন্যের কি উপকার করবে?

অতএব, একমাত্র আল্লাহকে ভয় করুন। তার নিকট আমাদের সকলকে ফিরে যেতে হবে সেই কথা সর্বদা স্মরণ করুন এবং সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য একমাত্র আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থণা করুন। (কোন বাবার মাজারে গিয়ে নয়)

মহান আল্লাহ পাক আমাদের বর্তমান মাজার ব্যবসার ধোঁকা থেকে হেফাজত করুন। "আমীন"
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 16:13

পর্দা ও ইভটিজিং


পর্দা মানে কি?
সহজ অর্থে পর্দা বলতে আমরা বুঝি কোন কিছু ঢেকে রাখা। কোন কিছু ঢেকে রাখার প্রশ্ন কখন আসে? যখন কোন জিনিস অন্য কিছুর মাধ্যমে ধ্বংস বা নষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে, তখনই তাকে ঢেকে রাখার কথা চলে আসে। যেমন- কোন খাবার যদি ঢেকে রাখা না হয়, তাহলে তাতে ময়লা পড়তে পারে, মাছি সহ বিভিন্ন পোকা বসে রোগ-জীবানু ছড়াতে পারে ইত্যাদি।

এখন কাউকে যদি বলা হয়, “তরকারীতে শুধু তেলাপোকা বসেছে, তাতে কি হয়েছে, সেই তরকারী খেয়ে নাও”। তাহলে কতজন লোক তা নির্দিধায় খেয়ে নেবেন?

অতএব, যা খোলা রাখলে তার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে, তা অবশ্যই ঢেকে রাখা বা পর্দা করা প্রয়োজন যাতে তা হেফাজত থাকতে পারে। কেননা, কোন রসালো খাবার খোলা রাখলে অবশ্যই তাতে মাছি বসবে, পিঁপড়া বসবে, এমনকি গৃহপালিত পশু যদি দেখতে পায় তাতে হামলা চালাবে তা খাবার জন্য।

তাহলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, “মহিলারা কি কোন বস্তু? যে তাকে ঢেকে রাখতে হবে?”

তাদের উদ্দেশ্যে বলা প্রয়োজন, যেখানে সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তায়ালা যেখানে মহিলাদের বলেছেন পর্দা করতে, সেখানে কারও কোন দ্বিমত পোষণ করার মত অধিকার আছে বলে মনে হয় না!

আর যদি সে বিষয়ে তর্ক করতেই চান তাহলে আপনার-আমার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সাথে গিয়ে তর্ক করুন। কেননা, পর্দা করতে আমি বলিনি, মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন।

তবে এও জেনে রাখুন, আল্লাহ পাক সর্বজ্ঞানী। তিনি অবশ্যই মানব জাতীর কল্যাণের কারণেই মহিলাদের উপর পর্দার বিধান দিয়েছেন।

অপরদিকে, সমাজে নতুন একটি বাক্য প্রচলণ হয়েছে যার নাম “ইভটিজিং”। ইভটিজিং বলতে আমরা কি বুঝি? সহজ অর্থে ইভটিজিং বলতে আমরা বুঝি কোন মেয়েকে উত্যক্ত করা। মেয়েদের কারা উত্যক্ত করে। অবশ্যই ছেলেরা। কিন্তু কেন? তা সকলের কাছে প্রশ্ন রইল।

এ উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন শরীফে উল্লেখ করেছেন,
“হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রী, মেয়ে ও সাধারণ মোমেন নারীদের বলো, তারা যেন তাদের চাদর (থেকে কিয়দংশ) নিজেদের ওপর টেনে দেয়, এতে করে তাদের চেনা (অনেকটা) সহজ হবে এবং তাদের কোনোরকম উত্যক্ত করা হবে না, (জেনে রাখে), আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।"
[সূরা আল-আহযাব: আয়াত-৫৯]

সুতরাং, যেখানে আল্লাহ বলছেন, পর্দা কর তাহলে কেউ উত্যক্ত করবে না। সেখানে আমাদের সমাজে মেয়েরা বে-পর্দায় ঘুরবে আর ছেলেরা উত্যক্ত করবে তাতে কার দোষ?

সমাজে একটি বাক্য প্রচলিত আছে,
“গাছে বড়ই দেখা গেলে পাড়ার ছেলেরা ঢিল মারবেই”।

বড়ই একটি ফল। যখন তা গাছে ধরে তা আমাদের পক্ষে ঢেকে রাখাও সম্ভব নয় এবং আমি এখানে বোনদের বড়ই বুঝাচ্ছিও না। বড়ই এর উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চেয়েছি তারা যদি বড়ই এর মতো সকলের সামনে খোলামেলা ঘুরে বেড়ায় তাহলে পাড়ার ছেলেরাতো বড়ই এর লোভে মানে তাদের প্রতি আকর্শিত হয়ে তাদেরকে উত্যক্ত করবেই। সুতরাং মহান আল্লাহর পর্দার বিধান মেনে চলুন।

তবে আরেকটি কথা বলা প্রয়োজন। তা হলো মেয়েদের চেয়ে পুরুষদের চোখ একটু বেশী তাকাতাকি করে। এটা আমার বক্তব্য নয়। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“(হে নবী,) তুমি মোমেন পুরুষদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে (নিম্নগামী ও) সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানসমূহকে হেফাজত করে; এটাই (হচ্ছে) তাদের জন্য উত্তম পন্থা; (কেননা) তারা পূর্ণাংগভাবে অবহিত রয়েছেন।"
[সূরা-আন নূর: আয়াত-৩০]

অতঃপর আল্লাহ বলেন,
“(হে নবী, একইভাবে) তুমি মোমেন নারীদেরও বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিম্নগামী করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে; তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শণ করে না বেড়ায়।
[সূরা-আন নূর: আয়াত-৩০]

অতএব, উক্ত আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ পুরুষদের প্রথমে দৃষ্টি সংযত করতে বলেছেন অতঃপর মেয়েদেরকে এবং মেয়েদেরকে সৌন্দর্য প্রদর্শণ করতেও নিষেধ করেছেন।

সমাজে যে সকল মেয়েরা পর্দা মেনে চলে না তাদের উদ্দেশ্যে বলা প্রয়োজন, আপনারা যদি আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধে গিয়ে জাহান্নামে যাবার জন্য প্রস্তুত থাকেন তাহলে বে-পর্দা হয়ে ঘুরতে পারেন।

সমাজে আরেকটি দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায় যে, বৃদ্ধারা পর্দা করে বেড়ান এবং তার সাথে যুবতী মেয়ে বে-পর্দা ঘুরছেন।

বরংচ যারা অতি বৃদ্ধা তাদের পর্দা শিথীল প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“বৃদ্ধা নারী, যাদের এখন আর কোন বিয়ের (বন্ধনে আসার) আশা নেই, তাদের ওপর কোনো দোষ নেই, যদি তারা তাদের (শরীর থেকে অতিরিক্ত) কাপড় খুলে রাখে (তবে শর্ত হচ্ছে) তারা সৌন্দর্য্য প্রদর্শণকারী হবে না; (অবশ্য) এ (অতিরিক্ত কাপড় খোলা) থেকেও যদি তারা বিরত থাকতে পারে তা (তাদের জন্যে) ভালো; আল্লাহ তালায়া (সব কিছু) শোনেন, আল্লাহ তায়ালা (সব কিছু) জানেন।"
[সূরা-আন নূর: আয়াত-৬০]

তাহলে প্রথম বৃদ্ধাদের প্রতি প্রশ্ন জাগে, আপনি যেখানে পর্দা করছেন সেখানে যুবতী মেয়েকে কেন পর্দা করাচ্ছেন না?

তাহলে কি আপনিও চান আপনার মেয়েকে দেখে ছেলেরা আকর্ষিত হোক এবং তাকে উত্যক্ত করুক!

সুতরাং, যেমন কোন খাবার খোলা রাখলে তা দুষিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি মহিলারা পর্দা না করলে পুরুষরা আকর্ষিত হয়ে তাকে উত্যক্ত করবেই।

প্রকাশ করা আবশ্যক, সরকার ইভটিজিং রোধে নতুন নতুন আইন তৈরি করছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলা প্রয়োজন, আইন করে কাউকে দমিয়ে রাখা খুবই কষ্টকর। স্বয়ং মহানবী (সাঃ) এর জামানায় যখন আইন ছিল কেউ চুরি করেছে প্রমাণিত হলে তার হাত কেটে দেওয়া হত। তাহলে কি তখন চুরি হত না? চুরি হত, কিন্তু পরিমাণে কম। সুতরাং নতুন আইন করার পূর্বে আল্লাহর বিধান পর্দাকে বাধ্যতামূলক করুন। সমাজ থেকে অবশ্যই ইভটিজিংয়ের পরিমাণ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ

অতএব, সকলের আশা রইল, আমরা আমাদের বোনদের অবশ্যই সম্মান দেখাব ও বোনরাও অবশ্যই মহান আল্লাহর বিধান পর্দা মেনে চলবে এবং আমরা জন সাধারণদেরও এ ব্যাপারে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ পাক আমাদের ‘ইসলাম’ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দান করুন ও জাহান্নামের আযাবের হাত থেকে আমাদের মুক্ত করুন।
“আমীন”
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by মনি ভাই on 2011-03-16, 20:42

একটা টপিকে এত গুলা লেখলে মন্তব্য করতে সমস্যা যেমন ধরুন "বিষয়ঃ বর্তমানে বিবাহ অনুষ্ঠান" এইটা একটা টপিকে "বিষয়ঃ মাজার ব্যবসা" এইটা একটা টপিকে "বিষয়ঃ পর্দা ও ইভটিজিং" আর এইটা আর একটা টপিকে দিলে ভাল হত
মনি ভাই
মনি ভাই
পর্যবেক্ষক
পর্যবেক্ষক

লিঙ্গ : Male
পোষ্ট : 42
রেপুটেশন : 3
শুভ জন্মদিন : 10/03/1991
নিবন্ধন তারিখ : 05/03/2011
বয়স : 28
অবস্থান : আশ্রম থেকে
পেশা : ম বি বি এস/এম ডি

http://www.preserv.com

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by jiacox on 2011-03-16, 22:55

ধন্যবাদ.....অনেক ভাল লাগলো
jiacox
jiacox
টেকনিক্যাল উপদেষ্টা
টেকনিক্যাল উপদেষ্টা

লিঙ্গ : Male
পোষ্ট : 283
রেপুটেশন : 24
শুভ জন্মদিন : 19/03/1983
নিবন্ধন তারিখ : 10/03/2011
বয়স : 36
অবস্থান : কক্সবাজার-টু-জেদ্দা
পেশা : কম্পিউটার টেকনিশিয়ান
মনোভাব : সবার সাতে-বন্দু

Http://coxsongbd.piczo.com

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by Admin on 2011-03-16, 23:08

ভাল লাগল ভাই,আরও লিখবেন ধন্যবাদ...
Admin
Admin
এডমিন
এডমিন

পোষ্ট : 811
রেপুটেশন : 41
নিবন্ধন তারিখ : 19/11/2010

http://melbondhon.yours.tv

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by আল্লাহর দাস on 2011-03-16, 23:43

মনি ভাই wrote:একটা টপিকে এত গুলা লেখলে মন্তব্য করতে সমস্যা যেমন ধরুন "বিষয়ঃ বর্তমানে বিবাহ অনুষ্ঠান" এইটা একটা টপিকে "বিষয়ঃ মাজার ব্যবসা" এইটা একটা টপিকে "বিষয়ঃ পর্দা ও ইভটিজিং" আর এইটা আর একটা টপিকে দিলে ভাল হত
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য। আমার মূল বিষয় হচ্ছে সমাজের সাম্প্রতিক বিষয় তুলে ধরা। তাই অনেক জায়গায় যাতে খোঁজাখুঁজি করতে না হয় তাই এক জায়গায় সব পোষ্ট করছি এবং উপরে লিংক দিয়ে দিচ্ছি যাতে সে ক্লিক করে সেই বিষয়ে চলে পারে। আর যদি অনেকে জানায় আলাদা করে দিলে সুবিধা হয় তাহলে আলাদা করে দিব।



jiacox wrote:ধন্যবাদ.....অনেক ভাল লাগলো
আপনাকেও ধন্যবাদ।



Admin wrote:ভাল লাগল ভাই,আরও লিখবেন ধন্যবাদ...
ধন্যবাদ, ইনশাআল্লাহ লিখে যাব।
আল্লাহর দাস
আল্লাহর দাস
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 8
রেপুটেশন : 2
নিবন্ধন তারিখ : 16/03/2011

Back to top Go down

সাম্প্রতিক সামাজিক Empty Re: সাম্প্রতিক সামাজিক

Post by Sponsored content


Sponsored content


Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum