Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন

Go down

বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন Empty বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন

Post by imam1979 on 2011-08-01, 08:57














অন্য ২টি ব্লগে আমার অন্য নিক নামে এসম্পরকে একটি লেখা প্রকাশ হলে ব্লগ
কতৃপক্ষ লেখাটি সরিয়ে দেয়।কেন সরিয়ে দিয়েছে তা সঠিক বলতে পারবো না।তবে
যতটুকু বুঝি তা হলোঃআহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মিথ্যাগুলো প্রকাশ হয়ে
যাবার ব্যাপার।যে মিথ্যর বেসাতি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত করে যাচ্ছে তা
বিশ্বের কাছে তুলে ধরে খাটি মোহাম্মাদী ইসলামে ফিরে আসার আহবান জানানোই
আমার এই লেখার মুল উদ্দেশ্য।

তাবত বিশ্বের সবাই জানেন,বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী
রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন।১৮ বছর বয়সে তিনি হাদিস
সংগ্রহ শুরু করেন।তাহলে যা দাঁড়ায় তাহলো বুখারী সাহেব রাসুলের(সাঃ) জন্মের
২০০ বছর পর হাদিস সংগ্রহ শুরু করেন।এই ২০০ বছরে সব সাহাবী,তাবেইন, তাবে
তাবেইন ইন্তেকাল করেন।তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় বুখারি সাহেব কিভাবে হাদিস
সংগ্রহ করছেন আর তার হাদিসগুলোর সবগুলো সহি কি না।সংক্ষেপে উত্তর হল,বুখারি
শরিফের কিছু হাদিস আছে সত্য,কিছু ্মিথ্যা,অরধ সত্য অরধ মিথ্যা বানোয়াট
ইত্যাদি ধরনের।

কিছু উদাহরন দেয়া যাক।রাসুল(সাঃ) বলেন,আমার পরে ১২ জন ইমাম পরযন্ত ইসলাম
সমুন্নত থাকবে এবং তারা কুরাইশ বংশ থেকে(বুখারী শরিফ,হাদিস নং
৬৭২৯,সোলেমানিয়া বুক ডিপো,বাংলা বাজার,ঢাকা)।এই হাদিসটির সমরথনে কুরানের
একটি আয়াত হচ্ছেঃআল্লাহ বনি ইস্রাইলিদের নিকট হতে পাকা ওয়াদা নিয়েছিলেন এবং
তাদের মধ্যে ১ ২ জন নকিব নিযুক্ত করেছিলেন(সুরা মায়েদাঃ১২)।আমরা আরো
জানি,হযরত ঈসার(আঃ) ছিলেন ১২ সাহায্যকারী।তাছাড়া,প্রত্যেক নবী রাসুলের
ছিলেন ১২ আমির/পরিচালক/সরদার/খলিফা/সাহায্যকারী/উত্তরাধীকারী।অরথাত বলা
যায়,বুখারী শরিফের ৬৭২৯নং হাদিসটি সহি।পাশাপাশি আর একটি উদাহরন দেয়া
যাকঃআনাস ইবনে মালেক বলেন,রাসুল(সাWink স্ত্রীদের সাথে মিলনের জন্য রাতে বা
দিনে পর পর যেতেন।তাদের সংখ্যা ছিল ১১জন।হযরত কাতাদা বলেন,আমি হযরত
আনাসকে(রাঃ) বললাম,হুজুরকে(সাঃ) কি এত শক্তি রাখতেন?তিনি বললেন,আমরা বলাবলি
করতাম,হুজুরকে(সাঃ) ৩০ জন যুবকের শক্তি দেয়া হয়েছে।সাঈদ কাতাদা থেকে
বলেন,আনাস(রাঃ) আমাকে ৯ জন স্তীর কথা বলেছেন।সুপ্রিয় পাঠক, এই হাদিসটিতে
রাসুলকে(সাঃ) কামুক হিসাবে দেখানো হয়েছে।আমি নিশ্চিত,কেউ কুরানের কোন আয়াত
দ্বারা রাসুলকে(সাঃ) কামুক হিসাবে প্রমান করতে পারবেন না।হাদিসের সমরথনে
আমি কুরানের আয়াতকে উপস্থাপন করছি,কারন রাসুল(সাঃ) বলেছেন,যে হাদিসটি
কুরানের আয়াতকে সমরথন করে না,সেটিকে দেয়ালে ছুড়ে মার অরথাত প্রত্যাখ্যান
করো।অরথাত কুরানই হচ্ছে হাদিসের সহি বা মিথ্যা প্রমানের খাটি দলীল।বুখারি
শরিফের আরো একটি মিথ্যা হাদিসের উদাহরন দেয়া যাকঃআবু হোরায়রা(রাঃ)
বলেন,রাসুল(সাঃ) ইরশাদ করেন,বনী ইস্রাঈলের লোকেরা একত্রে উলংগ হয়ে গোসল
করতো,একে অপরকে দেখতো।আর হযরত মুসা(আঃ) একাকী গোসল করতেন।তারা বলতো,আল্লাহর
শপথ!হযরত মুসাকে(আঃ) আমাদের সাথে একত্রে গোসল করতে কে নিষেধ করলো?নিশ্চয়ই
তার অন্ডকোষদ্বয় বড়,তা তিনি একাকী গোসল করতেন।একদিন মুসা(আঃ) গোসল করতে
গেলেন।কাপড় খুলে তিনি এক পাথরের উপর রাখলেন।হঠাত উক্ত পাথর কাপড়সহ ভাগতে
লাগলো। এ দেখে মুসা(আঃ) পাথরের পেছনে দৌড়াতে লাগলেন,হে পাথর আমার কাপড়!হে
পাথর আমার কাপড়!এ অবস্থায় বনী ইস্রাঈলগন তাঁর গোপন স্থান দখতে পেয়ে
বললো,আল্লাহশথ!মুসা(আঃ) তো কোন প্রকার দোষ নেই।বেহুদা তাকে ষারোপ করা
হয়েছে।অতপর পাথর থেমে গেলে মুসা(আঃ) কাপড়খানা হতে নিয়ে রাগের কারনে পাথরকে
মারতে লাগলেন।আবু হোরায়রা বলেন,আল্লাহর শপথ,মুসার(আঃ) আঘাতে উক্ত পাথরে ৬
বা ৭টি চিনহ পড়ে গিয়েছিল।সুপ্রিয় পাঠক,এই হাদিসটিতে হযরত মুসাকে(আঃ)
আপত্তিকর অবস্থায় গোসলের যে অপবাদ দেয়া হয়েছে তা ডাহা মিথ্যা ।আল্লাহর ১জন
পবিত্র নবী উলঙ্গ হয়ে গোসল করতেই পারেন না বা রাসুল(সাঃ) আল্লহর পবিত্র এই
নবীর বিরুদ্বে এধরনের অপবাদ দিতেই পারেন না।কেউ কি পারবেন কুরানের কোন আয়াত
দ্বারা হযরত মুসার(আঃ) এই অবস্থাকে সত্যায়ন করতে?আমি মনে করি এটা
আসম্ভব।আবু হোরায়রােকটি হাদিসে বলেন,একদিন হযরত আয়ুব(আঃ)উলংগ হইয়া গোসল
করিতে ছিলেন।এক সময় তার উপর সোনার পংগপাল পতিত হইতে লাগিল। হযরত আয়ুব(আঃ)
উহাদিগকে কাপড়ে জড়াইতে লাগিলেন।তৎপর তাহার মহান ও মুবারক প্রতিপালক তাহাকে
ডাকিয়া বলিলেন, “হে আয়ুব!তুমি যাহা দেখিতেছ উহা হইতে আমি কি তোমাকে অভাব
মুক্ত করি নাই?তিনি আরয করিলেন, “হ্যা,আপনার ইযযতের শপথ!কিন্তু আমি আপনার
দান ও বরকত হইতে অভাবমুক্ত নহি ( বুখারি,নাসায়ী ও মুস্নাদে আহমদ থেকে আবু
হুরাইরার সুত্রে বনিত)”। আমরা জানি যে হযরত আয়ুব(আঃ)ছিলেন আল্লাহর একজন
সম্মানিত নবী,নবী-রাসুলগন কখনো উলংগ হয়ে গোসল করতেই পারেন না।আর সোনার
পংগপালের যে বর্ননা এই হাদিসে আছে সেটি সম্পুর্ন অবাস্তব।সোনার পংগপালের
অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই,বড়জোর সোনা দিয়ে পংগপালের মুর্তি বানানো সম্ভব।আর
এখানে হযরত আয়ুব(আঃ)কে লোভী হিসেবে দেখনো হয়েছে,যেটা অসম্ভব।পবিত্র
কুরানের কোন আয়াত এই হাদিসকে সমর্থন করে না।

তাই সুপ্রিয় পাঠক,আসুন আমরা হাদিসের সত্যগুলো গ্রহন করি আর মিথ্যাকে
পরিহার করি।এপ্রসঙ্গে আর একটি সত্য কথা হলো রাসুলের(সাঃ) আহলে বায়েতের(আঃ)
বরননায় যে হাদিসগুল পাই সেগুলো সত্য।সময় ও সুযোগমত লেখার ইচ্ছা রইল।

imam1979
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 32
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 15/07/2011

Back to top Go down

বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন Empty Re: বুখারী শরিফের সংকলক ইসমাইল বুখারী রাসুলের(সাঃ) ইন্তেকালের ১৮২ বছর পর জন্মগ্রহন করেন

Post by vharot das on 2011-08-01, 09:15

ব্যায়াগুন বিতরকিত Mad

vharot das
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 7
রেপুটেশন : 0
নিবন্ধন তারিখ : 22/07/2011

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum