Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

জঙ্গে সিফফিন-৬

Go down

জঙ্গে সিফফিন-৬  Empty জঙ্গে সিফফিন-৬

Post by imam1979 on 2011-09-19, 07:03

এভাবে ২ লেনদেনকারীর যখন কথোপকথোনে
নিমগ্ন ছিলেন তখন মুয়াবিয়ার ভাই উতবাহ ইবনে বাই সুফিয়ান সেখানে প্রবেশ করলো
এবং বললোঃ আমরকে কেন মিসরের বিনিময়ে খরিদ করছেন না? ইস,যদি এই শামের
হুকুমতই আপনার থেকে যেতো এবং কেউ আপনার বিঘ্ন না ঘটাতো"। অতঃপর সে কিছু
কবিতা আবৃতি করলো।তার কবিতার একটি দ্বিপদী হলো এরুপঃ
"আমরের দাবীকে মেনে নাও;নিঃসন্দেহে আমর তার দ্বীনকে দুনিয়ার জন্য
ত্যাগছে"(একদিন রাসুল্লাহা(সাঃ) তাঁর এক ভাষনে একটি শ'রঈ বিধান হিসাবে
ঘোষনা করেনঃযে জিনিসের মালিক তুমি নও,কখনো তা বিক্রয় করো না।এখানে দেখতে
হবে যে,আমর মিসরের হুকুমতের বিনিময়ে কোন জিনিসকে বিক্রয় করলেন এং কোন
জিনিসকে হারালেন।ইবনে আবিল হাদীদের শিক্ষকের মুল্যায়ন স্মরনে রেখে বলতে
হয়,বরং এ লেনদেনেও তিনি প্রতারনার আশ্রয় নেন এবং শুন্য হাতে ও বিনামুল্যে
মিসরের হুকুমতকে কিনে নেন )।
অবশেষে মুয়াবিয়া সিদ্বান্ত নিলেন যে, যে কোন মুল্যে হোক আমরের সহযোগিতা
লাভ করতে হবে।তাই তিনি তার দাবীর কাছে আত্নসমরপন করলেন।কিন্তু আমর তার
প্রতারনা ও ছলনার সাফল্যের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন না।তার আশংকা ছিল
যে,মুয়াবিয়া তাকে কেবল ক্ষমতা দখলের সিড়ি হিসাবে ব্যাবহার করবেন,তারপর কাজ
হাসিল হলে তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়া হবে।একারনে তিনি মুয়াবিয়াকে বললেনঃ"আমাদের
চুক্তিটি কাগজে-কলমে হওয়া দরকার।এ মরমে লিখিত একটি অঙ্গীকারনামা থাকতে হবে
যাতে ২ পক্ষেরই স্বাক্ষর থাকতে হবে"।
চুক্তিনামা লেখা হলো এবং তাতে উভয় পক্ষের সইও হলো।কিন্তু সইকারীদের উভয়
পক্ষের প্রত্যেকের স্বক্ষরের পাশে একটি করে বাক্য লেখা হলো যা থেকে তাদের
শঠতা ও প্রতারনার প্রকাশ ঘটে।মুয়াবিয়া তার নামের পাশে লিখলেনঃ"এ শর্তে যে
কোন শর্তই আনুগত্যকে ভংগ করে দেবে না"।আর আমর ইবনুল আসও স্বীয় নাম ও
্মোহরের পাশে লখলেনঃ " এ শর্তে যে কোন শর্তই আনুগত্যকে ভংগ করে দেবে
না"(অয়াক্ক-এ শিফফিন,পৃঃ৪০)।
তারা দুজনেই এভাবে শর্ত আরোপ করার মাধ্যমে পরস্পরকে ধোকা
দিলেন।কেননা,মুয়াবিয়ার পক্ষ থেকে উক্ত শর্ত আরোপ করার উদ্দশ্য ছিল এই যে
আমর নিঃশর্তে মুয়াবিয়ার বাইয়াতকে মেনে নেবেন।কাজেই মুয়াবিয়া যদি কোন দিন
আমরকে মিসরের গভরনর পদ না দেন তাহলে এ অজুহাতে তিনি মুয়াবিয়ার অনুকুলে কৃত
বায়াত ভংগ করার অধিকার লাভ করবেন না।কিন্তু যখনই এই পোড় খাওয়া এই
প্রতিদ্বন্দী তার এ প্রতারনা বুঝতে পারলেন তখন তিনি তার জন্য এই পথ বন্দ্ব
করে দিলেন;তিনিও লিখে রাখলেন যে,এ বায়াত ততক্ষন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে যতক্ষন
না মুয়াবিয়ার আনুগত্য(মিসরের হুকুমত) চুক্তির শর্তকে খন্ডন করে দেবে।অর্থাত
মুয়াবিয়াকে মিসরের গভরনর পদ প্রদান করতেই হবে।
বাস্তবিকই এরা দুজনে ছিলেন ধুর্ত ্রাজনীতিক যাদের মধ্যে খোদাভিরুতা তো নয়ই,বং রাজনৈ্তিক শিষ্টাচারও ছিল না।
আমর খুশীতে আখানা হয়ে মুয়াবিয়ারঘরথেকে বের হয়ে আসলেন।
................চলবে।

imam1979
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 32
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 15/07/2011

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum