Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

জঙ্গে সিফফিন-৮

Go down

জঙ্গে সিফফিন-৮ Empty জঙ্গে সিফফিন-৮

Post by imam1979 on 2011-09-21, 07:59

গোত্রপতি ও জনগনের কাছে মুয়াবিয়ার সাহায্য প্রাথনা
গোত্রীয় সমাজ ব্যাবস্থায় সিদ্বান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে গোত্রপতিদের হাত পুরোপুরি প্রশস্ত থাকে।গোত্রপতির কোন পক্ষকে সমথন করার অথ হলো উক্ত গোত্রের সকলেরই সে পক্ষ অবলম্বন করা।থাত একজন ব্যক্তির মতামতই জনমতের স্থলাভিষিক্ত হয়,বিশেষ করে গোত্রপতি যদি বাহিকভাবে ধমীয় মযাদার অধিকারী থাকে।
মুয়াবিয়া শামের বনেদী বাসিন্দাদেরকে এং সেখানে বসবাসকারী ইয়েমেনী লোকদেরকে একত্রিত করার জন্য ধরনের লোকদের খুজছিলেন। আর তার চিন্তাগুরু আমর আমর ইবনুল আসও তাকে একাজে উদ্ভুদ্ব করেন।এদিক থেকে হেমছ নিবাসী শুরাহবিল ইয়েমেনী ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি যার মধ্যে দুটি শতই বিদ্যমান ছিল।তিনি একদিকে ধমীয় মযাদার অধিকারী ছিলেন,অপর দিকে ইয়েমেন থেকে হিজরতকারীদের মুরুব্বী বলে গন্য হতেন।তার দ্বারা ইমামের(আঃ) ব্যাপারে সাধারন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিবতন ঘটান সম্ভব ছিল।এজন্য মুয়াবিয়া তাকে একটি পত্র লিখলেন এবং তাকে শামে আসার জন্য অনুরোধ জানালেন ( ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৪-৪৫;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবীল হাদিদ ২য় খন্ড,পৃঃ৭১;কামেল,ইবনে াছীর,৩য়খন্ড,পৃঃ১৪৩)।
এর পশাপশি তিনিশুরাহবিলের বিশ্বাসভাজন একদল লোককে সব সময় তার সথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে এং আলীকে(আঃ) ওসমানের হত্যাকারী বলে প্রচার চালাতে দায়িত্ব প্রদান করলেন।এভাবে তাঁর মধোলাইয়ের ব্যাবস্থা করলেন এং তাকে বললেন, " জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ বাজালী ইরাক থেকে এসেছে এবং আমাদেরকে আলীর অনুকুলে বায়াত হবার আহবান জানিয়েছে।আলী সবোত্তম ব্যক্তি,কিন্তু ওসমানের হত্যাকারী।আমি এব্যাপারে কোন সিদ্বান্ত গ্রহন করা থেকে বিরত রয়েছি।কারন,আমি শামের জনগনের একজন।তারা যে মতামত দেবে আমিও সেই মতামতই দেব।আর তারা যেটাকে ং করবে আমিও সেটাকেই অপছন্দ করবো"।
শুরাহবিল প্রথমে কোন মতামত প্রকাশ করা থেকে বিরত রইলেন।তিনি বললেনঃ" এ ব্যাপারে খোজ খবর নিতে হবে।তারপর মতামত প্রদান করবো।" এই বলে তিনি বৈঠক ছেড়ে উঠে পড়লেন এবং অনুসন্দ্বানের কাজে নেমে পড়লেন (ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৪-৪৫;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবীল হাদিদ ২য় খন্ড,পৃঃ৭১;কামেল,ইবনে আছীর,৩য়খন্ড,পৃঃ১৪৩)।
মুয়াবিয়া আগে থেকেই যেসব লোককে শুরাহবিলের চিন্তার খোরাক যোগানোর জন্য নিয়োজিত করেছিলেন তারা বিভিন্ন নামে-পরিচয়ে তার সাথে সাক্ষাত করতে লাগলো এবং ইমাম আলী(আঃ) হযরত ওসমানকে হত্যা করেছেন বলে যে দাবী করা হয়েছে তার সত্যায়ন করছিল।এভাবে তার মনে হযরত আলীর (আঃ) ব্যাপারে সন্দেহ ও দ্বিধা দানা বাধতে থাকে।
মিথ্যা ও বিষাক্ত প্রচারনা এ সরল মানুষটির চিন্তা-চেতনাকে গ্রাস করে ফেললো এবং তাকে "বাশের চেয়ে কঞ্চি বড়" এবং " মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশী" ভুমিকায় অবতীন করালো।সুতরাং এবার তিনি নিজেই মুয়াবিয়ার সথে যোগাযোগ করলেন এং তাকে বললেনঃ " আমি জনগনের মুখ থেকে আলীই হত্যাকারী ছাড়া আর কিছু শুনিনি।অতএব,আপনি তার অনুকুলে বায়াত হতে পারেন না।আর যদি তা করেন তাহলে আমরা আপনাকে শাম থেকে বহিস্কার বা হত্যা করবো "(ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৭-৪৮;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবীল হাদিদ ২য় খন্ড,পৃঃ৭৩)।
মুয়াবিয়া এ বক্তব্য শুনে নিশ্চিত হলেন যে,আত্নবিক্রিত লোকেরা ঠিকই এ সরল ধামিক ব্যক্তিটিকে প্রতারিত করতে পেরেছে।কাজেই তিনি তাকে বললেন, "আমি শামের জনগনের একজন।কখনোই আপনাদের বিরুদ্বে যাব না "।
শামের ধামিক বৈঠক ছেড়ে উঠে পড়লেন ং হাছিন ইবনে নুমাইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।তিনি ইমামের(আঃ) প্রতিনিধি জারীরের সথে আলোচনা করার লক্ষ্যে তার কাছে কাউকে পঠানোর জন্য হছীনকে অনুরধ করলেন।

ইমামের(আঃ) প্রতিনিধির সাথে শুরাহবিলের বৈঠক
.......চলবে।

imam1979
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 32
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 15/07/2011

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum