Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

জঙ্গে সিফফিন-৯

Go down

জঙ্গে সিফফিন-৯  Empty জঙ্গে সিফফিন-৯

Post by imam1979 on 2011-09-22, 08:02

ইমামের(আঃ) প্রতিনিধির সাথে শুরাহবিলের বৈঠক
জারীর যখন হাছীনের সাথে শুরাহবিলের কাছে উপস্থিত হলেন তখন ৩জন মিলে আলোচনায়
বসলেন।শুরাহবিল ইমামের(আঃ) প্রতিনিধিকে বললেন, " তুমি একটি প্রচ্ছন্ন
বার্তা সহকারে আমাদের কাছে এসেছো।মনে হচ্ছে তুমি আমাদেরকে সিংহের গ্রাসে
নিক্ষেপ করতে চাও এবং শাম ও ইরাককে তছনছ করতে চাও।তুমি আলীর প্রশংসা করছো
অথচ সে ওসমানের হত্যাকারী।তুমি এজন্য পরকালে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবে "।
শুরাহবিলের কথা শেষ হলে ইমামের(আঃ) প্রতিনিধি বললেন, " আমি কখনোই
প্রচ্ছন্ন বার্তা নিয়ে তোমাদের কাছে আসিনি।আলীর খেলাফত কিভাবে প্রচ্ছন্ন
হতে পারে যখন মুহাজির ও আনছারগন তাঁর হাতে বায়াত হয়েছেন,আর তা ভঙ্গ করার
কারনে তালহা ও যুবাইর নিহত হয়েছেন? তুমিই নিজেকে সিংহের গ্রাসে নিক্ষেপ
করেছ।আমি কখনো একাজ করিনি।ইরাক ও শাম যদি ন্যায় ও সত্যকে রক্ষার্থে
ঐক্য্যবদ্ব হয় তাহলে তা একটি বাতিল কারনে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার
চেয়ে উত্তম। আর এই যে বলছো,আলী ওসমানের হত্যাকারী,আল্লাহর কছম,এটা নিছক
অপবাদের তীর নিক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়,তা-ও আবার বহুদুর থেকে।তুমি দুনিয়ার
মোহে আবষ্ট হয়ে পড়েছ।আর অতীতে সা'দ বিন ওয়াক্কাছের যুগেই কোন কিছু তোমার
মনে ছিল বলে মনে হয় "( ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৭-৪৮)।

বৈঠক শেষ হলো।পরবর্তীতে জারীর একটি কাছিদার মাধ্যমে তাঁর ইয়েমেনী
প্রতিপক্ষ শুরাহবিলের উদ্দেশ্য শামে একটি বার্তা পাঠালেন।বাতাটি নিম্নরুপঃ
" হে শুরাহবিল,হে সামত্বের পুত্র! কামনার দাসত্ব করোনা।কেননা, এ দুনিয়ায়
দ্বীনের কোন জুড়ি নেই।আর হারবের পুত্রকে বলে দাও,আজ আর তোমার সেই সম্মান
নেই যে,তুমি যা চেয়েছো সেখানে পৌছতে পারবে।কাজেই তার আশা ছেড়ে দাও
"(ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৮-৪৯;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবিল হাদিদ,২য় খন্ড,পৃঃ
৮০-৮১)।
কাছিদার আদলে এই উপদেশমুলক বার্তা শুরাহবিলের হাতে পৌছলো তখন তিনি চমকে
উঠলেন।আল্লাহর কসম! সিদ্বান্ত গ্রহনে আমি তড়িঘড়ি করবো না "।
মুয়াবিয়া যখন শামের প্রভাবশালী ধার্মিক শুরাহবিলের সাথে জারীরের বৈঠকের
খবর পেলেন এবং তার প্রতি জারীরের বার্তা সম্পর্কে অবগত হলেন তখন তিনি
ইমামের(আঃ) প্রতিনিধিকে তিরস্কার করলেন।পাশাপাশি একদল লোককে সর্বক্ষন
শুরাহবিলের সাথে যোগাযোগ বজায় রেখে চলার জন্য নিযুক্ত করলেন যাতে আলীর(আঃ)
দ্বারাই ওসমানের হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে- এ বিষয়টি তার কাছে নিশ্চিতভাবে
প্রতিপন্ন করতে সক্ষম হয়,আর এ কাজে এমনকি মিথ্যা সাক্ষ্য দিতেও কুন্ঠিত না
হয় এবং বানোয়াট পত্রও তার সামনে হাজির করা হয়।
মুয়াবিয়ার পোষ্য এই লোকগুলো এমন কাজ করলো যে,উক্ত ধার্মিকের জাগ্রত
হবার পরে তারা আবার তাকে প্রতারনার ফাঁদে ফেললো।আর তিনিও মিথ্যা
স্বাক্ষীদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে নিজের সিদ্বান্তের উপর অটল রইলেন
"(ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৯;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবিল হাদিদ,২য় খন্ড,পৃঃ৮১)।
ইয়েমেনের অন্যান্য গোত্রপতি যখন শুরাহবিলের সিদ্বান্তের কথা জানতে পারলো
এবং তার প্রতারিত হবার কথা অবগত হলো তখন তারা অন্ন্যোপায় হয়ে আসল ব্যাপারটি
তাকে বুঝানোর জন্য তার ভাগিনাকে তার কাছে পাঠালেন।
শুরাহবিলের ভাগ্নে ছিলেন শামের সেই মুষ্টিমেয় জনগনের মাধ্যে একজন,যে
ইমাম আলীর(আঃ) হাতে বায়াত হয়েছিলেন।শামের ধর্মভীরু ও দুনিয়াত্যাগী লোকদের
মধ্যেও সে ছিল অন্যতম।সে একটি কাছিদাহ দ্বারা মুয়াবিয়ার চক্রান্ত ও
ধোকাবাজীর মুখোশ খুলে দিলেন আর স্মরন করিয়ে দিলেন যে,এসব সাক্ষ্য এবং পত্র
নিছক কারসাজী।এগুলোর কোনটাই সত্য নয়।
শুরাহবিল যখন কবিতার বিষয়বস্তু সম্পরকে অবগত হলেন তখন বললেন, " এ হলো
শয়তানের দুত।আল্লাহর শপথ,তাকে যদি নাগালের মধ্যে পাই তাহলে তাকে শাম থেকে
বহিস্কার করবো "(ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৪৯-৫০)।
মুয়াবিয়া - যিনি তাঁর লোকজনের দ্বারা শুরাহবিলের চিন্তার গতিকে নিয়ন্ত্রন
কছিলেন,যখন দেখলেন যে,তিনি তার সিদ্বান্তে অনড় রয়েছেন তখন তাকে নিম্নোক্ত
বানীটি পাঠানঃ
" সত্যের ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য তোমার প্রতিদান আল্লাহই দিবেন। তুমি
জানো যে, সমাজের সৎ লোক তোমার মতামতকে গ্রহন করেছে। কিন্তু এদের সন্তষ্টি ও
অবগতিই আলীর সাথে যুদ্ব করার জন্য যথেষ্ট নয়।বরং আলীর বিরুদ্বে জিহাদের
জন্য সর্বসধারনের সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।এর উপায় হলো,তুমি শামের
শহরগুলোতে সফর করবে এবং ঘোষনা করবে যে,ওসমানকে আলীই হত্যা করেছে।আর
মুসলমানদের জন্য হত্যাকারীর নিকট থেকে তার প্রতিশোধ দাবী করা ওয়াজিব"।


শুরাহবিল শামের শহরগুলোতে সফর শুরু করলেন।সর্বপ্রথমে তিনি হেমছ শহরে গেলেন সেখানে
দেয়া এক ভাষনে তিনি বললেনঃ " হে জনগন!ওসমানকে আলীই হত্যা করেছে।আর যারা তার
উপর ক্ষুব্দ্ব হয়েছে আলী তাদেরকেও হত্যা করেছে।অবশেষে আলী গোটা ইসলামী
ভুখন্ডে কর্তৃ্ত্ব প্রতিষ্টা করছে।এখন শুধু শাম বাকী রয়েছে।সে কাঁধে তলোয়ার
নিয়ে ঝড়ের বেগে তোমাদের দিকে ধেয়ে আসছে।এখন আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অলৌকিক
ঘটনাই কেবল তাঁকে রুখতে পারে।তাঁকে প্রতিহত করার জন্য মুয়াবিয়ার চেয়ে
শক্তিশালি আর কেউ নেই।সবাই সজাগ হও আর নেমে পড় "।
এই প্রতারিত ধার্মিকের
প্রতি যেহেতু হেমছবাসীদের বিশেষ শ্রদ্বা ছিল , একারনে তাঁর বক্তব্য তাদের
মধ্যে প্রভাব ফেললো এবং তারা তার ডাকে সাড়া দিলো।তবে সেখানকার ধর্মভীরু ও
দুনিয়াত্যাগী লোকগূলো তার ডাকে সাড়া দিল না,বরং তাকে বিভ্রান্ত বলে
আখ্যায়িত করলো।তারপর শুরাহবিল শামের অন্যান্য শহরেও সফর করলেন এবং লোকজনকে
আলীর বিরুদ্বে জেহাদে অংশগ্রহনের আহবান জানালেন।এতে তিনি জনগনের পক্ষ থেকে
সাড়াও পেলেন।
শুরাহবিল তার ধারাবাহিক সফর শেষে দামেশকে প্রত্যাবর্তন
করলেন এবং বিজয় উন্মাদনার উচ্চ শির নিয়ে মুয়াবিয়ার সামনে হাজির হলেন।সেখানে
তিনি তার পুর্বের বক্তব্যই দৃঢ়তার সাথে ব্যক্ত করলেন যে, " আপনি যদি আলীর
বিরুদ্বে এবং ওসমান হত্যাকারীর বিরুদ্বে জিহাদ করেন তাহলে আমরা হয় আমাদের
প্রতিশোধ গ্রহন করবো,নতুবা আমাদের উদ্দেশ্যের পথে আত্নোৎসর্গ
করবো।সেক্ষেত্রে আপনি আপনার পদে বহাল থাবেন,অন্যথায় আপনাকে অপসারন করে আরেক
জনকে আপনার জায়গায় বসাবো,যাতে আমরা তার নেতৃ্ত্বে জিহাদ করতে এং আলীর কাছ
থেকে ওসমানের রক্তের প্রতিশোধ গ্রহন করতে পারি কিংবা নিহত হতে পারি "(
ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৫০,৫২;;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবিল হাদিদ,৩য়
খন্ড,পৃঃ৮২-৮৩)।
মুয়াবিয়া এই প্রতারিত ধার্মিকের ধারালো ও উগ্র কথা শুনে খুবই খুশী হলেন।
জারীরের চরম্ পত্র
জারীর দুর্ভাগ্যজনক পরিনতির কথা চিন্তা করে ভীষন কষ্ট পাচ্ছিলেন,যা তিনি কখনো
আশা করেননি।তাই তিনি আরেক বার তার পুরাতন বন্ধ্বু এবং স্বীয় গোত্রের
ধার্মিক শুরাহবিলের সাথে যোগাযোগ করলেন এং তাকে তার এই সিদ্বান্তের ভয়ঙ্কর
পরিনতি সম্পরকে অবহিত করে বললেনঃ
" আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে রক্তপাতের
হাতথেকে রক্ষা করেছেন এং বিভেদকে দুর করেছেন।ইসলামী রাজ্যগুলোতে শান্তি ও
স্থিতিশীলতা প্রতিষ্টার পথে।এমতাবস্থায় এমন যেন না হয় যে,জনগনের মধ্যে
ফিতনাহ-ফাছাদ সৃষ্টি করছো।তোমার কথাকে লুকিয়ে ফেলো।অবসথা এমন যেন না দঁড়ায়
যে, তা আর ফিরিয়ে আনতে না পারো "।
শুরাহবিল বললেন, "কখনোই নিজের মতামতকে গোপন করবো না"।
অতপর
তিনি উঠে দাড়ালেন এং একটি সাধারন সমাবেশে ভাষন প্রদান করলেন। জনগনও তার
ইবাদাত-বন্দেগীর বিষয়ে জানা থাকার কারনে তার মতামতকে মেনে নিল।এ সময়
ইমামের(আঃ) প্রতিনিধির চেহারায় নিরাশার ছায়া ঢেকে গেল।তিনি বুঝতে পারছিলেন
না এখন তাঁর কি করনীয়( ওয়াক্ক-এ সিফফিন,পৃঃ৫০,৫২;;নাহজুল বালাগাঃইবনে আবিল
হাদিদ,৩য় খন্ড,পৃঃ৮২-৮৩)।
শামে ইমামের(আঃ) প্রতিনিধির পরাজয়ের কারন
এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে আমীরুল মু'মিনিনের(আঃ) প্রতিনিধি জারীর-যাকে
বায়াত গ্রহনের জন্য শামে পাঠান হয়েছিল,তিনি স্বীয় দায়িত্ব পালনে ব্যার্থতার
সম্মুখীন হন।তিনি তো কোন কাজই সমাধা করতে পারেনই নি,উপরন্তু এমন সময়
ইমাকে(আঃ) মুয়াবিয়ার চুড়ান্ত সিদ্বান্তের ব্যাপারে অবগত করেন যখন সব কিছু
শেষ হয়ে গেছে এবং মুয়াবিয়া শামের লোকজনকে নিয়ে আলীর(আঃ) বিরুদ্বে যুদ্বের
জন্য প্রস্তুত হয়েছেন।তাঁর এ গড়িমসির কারন ছিল শামে তাঁর প্রবেশের
পর থেকেই মুয়াবিয়ার আজ-কাল করে প্রতিশ্রুতি দেয়ার ও কালক্ষেপনের চক্রে পড়ে
ধোকা খাওয়া।আর শামের অপসারিত শাসক তার উমাইয়াহ চালবাজীর মাধ্যমে কোন রকম
মতামত প্রকাশ থেকে বিরত থাকেন এবং ইমামের(আঃ) প্রতিনিধিকে আশান্বিত
রাখেন।আর জারীর মুয়াবিয়াকে বায়াতে বাধ্য করতে পারবেন এবং বিভেদ দূর করতে
পারবেন এ আশায় অপেক্ষা করাকেই শ্রেয় মনে করেন এবং সর্বদা মুয়াবিয়ার চুড়ান্ত
মতামত জানার অপেক্ষা করতে থাকেন।
মুয়াবিয়ার জন্য প্রথম দিন গুলোতেই
চুড়ান্ত মতামত প্রকাশ করা শুভ ছিল না। অবশ্য ইমামের(আঃ) প্রতিনিধির আগমনের
দিন থেকেই মুয়াবিয়ার অবস্থান ছিল কেন্দ্রীয় খেলাফতের বিরোধিতা,অবাধ্যতা ও
ঔদ্বত্য প্রকাশ।কিন্তু সেদিন এ অবস্থানের কথা প্রকাশ করলে মুয়াবিয়ার জন্য
ক্ষতির কারন হতো।কেননা,তখন ইমামের(আঃ) প্রতিনিধি কুফায় প্রত্যাবর্তন করতেন
এবং মুয়াবিয়ার বিরোধিতা ও অবাধ্যতা সম্পর্কে তাকে অবগত করতেন।ফলে স্বভাবতই
ইমাম(আঃ)ও সত্যের বিরোধিতাকারীদেরকে কঠোর হাতে দমন করতে কালবিলম্ব করতেন না
এবং বিশাল বাহিনী নিয়ে তার ওপর আক্রমন চালাতেন ও সকল নষ্টের মুলোতপাটন করে
ফেলতেন।

হ্যা,মুয়াবিয়া বিভিন্ন কথায় ইমামের(আঃ) প্রতিনিধিকে
শামে নির্লিপ্ত করে রাখেন যাতে কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্বে যুদ্বে আমর ইবনুল
আসের সহযোগিতা লাভ করা যায়।অতপর শামের চারিদিকে প্রচারক দলসমুহ প্রেরন
করার মাধ্যমে সেখানকার জনগনের মনে আলীর(আঃ) সম্পর্কে মারাত্নক চিত্র একে
দেন,আর খেলাফত এবং রাসুলের(সাঃ) স্থলাভিষিক্তের প্রতি সাধারন মানুষের
ভক্তিশ্রদ্বাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগান।মুয়াবিয়া শুধু এখানেই ক্ষান্ত
হননি,শামের বিখ্যাত ধার্মিক শুরাহবিলকে- মানুষের মনে যার বিশেষ মর্যাদা ও
প্রভাব ছিল-ইমামের(আঃ) বিরোধিতায় উদবুদ্ব করানোর এ ধোকা খাওয়া ধার্মিক
আলীর(আঃ) বিরুদ্বে যুধ্বে এমনভাবে কোমর বেধে নেমে পড়েন যে,যদি ধরে নিই যে
মুয়াবিয়া আপোস করতেন,তাহলেও শুরাহবিল শামের সরলমনা জনগনকে ইমামের(আঃ)
বিরুদ্বে যুদ্বে অবতীর্ন করে ছাড়তেন ।মুয়াবিয়ার এসব অশোভন কর্মকান্ড একারনে
সম্ভব হয়েছিল যে,ইমামের(আঃ) প্রতিনিধি জারীর স্বীয় দায়িত্ব পালনের
ক্ষেত্রে মুয়াবিয়ার বাহিক কারসাজী দ্বারা প্রতারিত হয়ে পড়েন।এতে ইমামকে(আঃ)
এ ফিতনাহ-ফাসাদের গোড়া নির্মুল করার সিদ্বান্ত গ্রহনে কালক্ষেপনে পড়তে
হয়।জারীর এমন সময় ইমামের(আঃ)কাছে ফিরে আসেন যখন মুয়াবিয়া ইসলামী
সাম্রাজ্যের বেশীরভাগ অংশে ইমামের(আঃ) বিরুদ্বে লোকদেরকে সংঘটিত করে
ফেলেছিলেন।তাদের সারা অস্তিত্ব জুড়ে ওসমানের হত্যাকারীদের থেকে-তাদের ধারনা
অনুযায়ী যাদের শীর্ষে ছিলেন হযরত আলী(আঃ),প্রতিশোধ ও রক্তের বদলা গ্রহনের
জন্য রক্ত টগবগ করতে থাকে।
......চলবে।

imam1979
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 32
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 15/07/2011

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum