Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

আমি কেন হিন্দু?

Go down

আমি কেন হিন্দু? Empty আমি কেন হিন্দু?

Post by Arunima Roy on 2012-02-02, 21:56

চার বছর আগে, আমি নিউ ইয়র্কের JFK এয়ারপোর্ট থেকে স্যান ফ্রান্সিস্কো যাচ্ছিলাম ক্যালিফোর্নিয়ায় একটা মিটিংয়ে। একজন আমেরিকান মহিলা আমার ডানপাশে বসেছিলেন জানালার সিটের কাছে। লম্বা ভ্রমণ ছিল – প্রায় সাত ঘন্টার মত। আমি খুব অবাক হয়ে যাই মহিলাকে বাইবেল পড়তে দেখে, যা সচরাচর আমেরিকান মহিলাদের মাঝে দেখা বিরল।
কিছুক্ষণ পর আমাদের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হলো। আমি তাকে বললাম আমি ভারত থেকে আগত। ভদ্রমহিলা আমাকে জিজ্ঞেস করল, “আপনার বিশ্বাস কি?” “মানে?” আমি না বুঝতে পেরে প্রশ্ন করলাম।
“মানে আমি জানতে চাচ্ছি আপনার ধর্ম কি? আপনি কি খ্রীষ্টান নাকি মুসলিম?”
“না,” আমি বললাম, “আমি খ্রীষ্টানও নই, মুসলিমও নই।”
ভদ্রমহিলা আমার দিকে অতি বিস্ময়ের সাথে তাকাল।
“তাহলে আপনি কি?”
“আমি একজন হিন্দু” আমি বললাম।
ভদ্রমহিলা আমার দিকে এমনভাবে তাকাল যেন তিনি কোন খাঁচায় আটকানো কোনো জন্তু দেখছেন। উনি মনে হলো যেন আমার কথা বুঝতে পারছেন না। (একজন সাধারণ ইউরোপীয়ান বা আমেরিকান খ্রীষ্টধর্ম কিংবা ইসলাম সম্পর্কে জানেন। কিন্তু হিন্দুধর্ম!)
আমি ভদ্রমহিলাকে বোঝালাম – আমার এক হিন্দু বাবা ও হিন্দু মায়ের ঘরে জন্ম। তাই জন্মসূত্রে আমি একজন হিন্দু।
“তাহলে কে আপনাদের নবী/প্রবক্তা?” ভদ্রমহিলা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন।
“আমাদের কোনো নবী/প্রবক্তা নেই।” আমি উত্তরে বললাম।
“আপনাদের ধর্মগ্রন্থ কি?” উনি প্রশ্ন করলেন।
“আমাদের কোনো নির্দিষ্ট একটি ধর্মগ্রন্থ নেই। বরং আমাদের শত শত, হাজার হাজার ধর্মীয়, দার্শনিক গ্রন্থ আছে।” আমি উত্তরে বললাম।
“ওহ প্লীজ, অন্তত এতটুকু তো বলবেন আপনাদের একজন ঈশ্বর আছে। নাকি তাও নেই? যেমন আমাদের আছে গড্‌, মুসলিমদের আল্লাহ।”
আমি কিছুক্ষণ ভাবলাম। মুসলিম ও খ্রীষ্টানরা এক ঈশ্বরে (পুরুষ) বিশ্বাস করে যিনি বিশ্ব তৈরি করেছেন। এসব ধর্ম মনুষ্যকেন্দ্রিক। এই ভদ্রমহিলার চিন্তা-ভাবনাও একইরকম। উনার কাছে কিংবা যেকোনো হিন্দুধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞাত মানুষের কাছে ধারণাটুকু এমনতর যে একটি ধর্মের জন্য এক নবী/প্রবক্তা, একটি ধর্মগ্রন্থ, এক ঈশ্বর থাকতে লাগবে। এদের চিন্তা-ভাবনা এত সঙ্কীর্ণ ও এমনভাবে তৈরি যে ইহা ভিন্ন অন্য কিছু এদের কাছে গ্রহণযোগ্যই নয়। আমি বুঝতে পারলাম উনার ধর্ম সম্বন্ধে চিন্তা-ভাবনা।
আপনি হিন্দুধর্মকে বিশ্বের বর্তমান বড় বড় ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারবেন না যেখানে আপনাকে এক ঈশ্বরেই বিশ্বাস করতে হবে। আমি ভদ্রমহিলাকে বোঝালাম, “আপনি এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করে হিন্দু হতে পারেন। আবার বহু ঈশ্বরে বিশ্বাস করেও হিন্দু হতে পারেন। এমনকি আপনি কোনো ঈশ্বরে বিশ্বাস না করেও হিন্দু হতে পারেন, যেমনভাবে একজন নাস্তিক আসলে হিন্দুই।”
কথাগুলো উনার কাছে পাগলের মতো শোনাল। উনি এমন অবিচ্ছিন্ন রকমের ধর্ম কল্পনাও করতে পারেননি যা কিনা হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসছে, টিকে আছে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে।
“আমি বুঝছি না। কিন্তু বিষয়টি খুব আকর্ষণীয় লাগছে। আপনি কি ধার্মিক?” ভদ্রমহিলা প্রশ্ন করলেন।
‘আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না উনাকে কি উত্তর দেব।’
আমি বললাম, “আমি প্রতিনিয়ত মন্দিরে যাই না। আমি নিয়মিত ধর্মীয় আচার-নিষ্ঠা পালন করি না। ছোটবেলায় ধর্মীয় উৎসবসমূহে অংশ নিতাম। সেসময় ওসব খুব উপভোগ করতাম।”
“উপভোগ করতেন? আপনি কি ঈশ্বরকে ভয় পান না?”
“ঈশ্বর তো বন্ধুর মতো। না – আমি ঈশ্বরকে ভয় পাই না। কেউ আমার উপর কখনো চাপ প্রয়োগ করেনি এসব নিয়ম-নিষ্ঠা পালন করার জন্য।”
উনি কিছুক্ষণ ভাবলেন, তারপর জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কি কখনো ভেবেছেন অন্য কোনো ধর্মে ধর্মান্তরিত হবার বিষয়ে?”
“কেন ভাববো? যদি আমি হিন্দুধর্মের কিছু আচার-নিষ্ঠাকে চ্যালেঞ্জও করি তবুও কেউ আমাকে অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত করতে পারবে না। কারণ একজন হিন্দু হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ও বস্তুনিষ্ঠভাবে চিন্তা-ভাবনা করতে পারি, কোনো প্রকার শর্তাবলী ছাড়া। আমি একজন হিন্দু হিসেবে আছি জোর করে না, বরং নিজ পছন্দে।”
আমি উনাকে বোঝালাম, হিন্দুধর্ম আসলে কোনো ধর্ম নয়, বরং এক সেট বিশ্বাস ও রীতি-নীতি। এ কোনো এমন ধর্ম নয় যা খ্রীষ্টধর্ম বা ইসলামের মতো কোনো একব্যক্তির দ্বারা প্রচারিত অথবা এর কোনো সংগঠিত সংঘ বা সমিতি নেই যেমন খ্রীষ্টানদের আছে চার্চ বা অর্ডার। হিন্দুধর্মে কোনো সংস্থাপণ বা কর্তৃত্বধারী গোষ্ঠী নেই অন্য ধর্মগুলোর মতো।”
“তাহলে আপনি কি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না?” মনে হলো যেন ভদ্রমহিলা সব সাদা-কালোতে চান।
“আমি তো তা বলিনি। আমি কোনো ঈশ্বরিক শক্তিকে অস্বীকার করছি না। আমাদের বেদসমূহ, উপনিষদ, গীতা বলেছে – ঈশ্বর আছেনও আবার নেইও। আমরা কিন্তু সেই সর্বশক্তিমান নির্বস্তুক পরব্রহ্ম যিনি এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের তৈরিকারক তার প্রার্থনা ঠিকই করি।”
“আপনারা কেন একজন ব্যক্তির ন্যায় ঈশ্বরের উপাসনা করেন না?”
“আমাদের ভাবনাধারা হলো একটা ধারণার মতো, যা কিনা নির্বস্তুক। আমাদের ঈশ্বর সম্পর্কে ভাবনা একজন ব্যক্তিগত ঈশ্বরের মতো না যেমনটি আপনাদের। এ তো আমাদের কাছে ভাবনারও অতীত যে আপনারা একজন ব্যক্তির মতো ঈশ্বরের আরাধনা করেন যিনি কিনা এমনতর যে, মেঘের মাঝে লুকায়িত যেখান থেকে উনি আমাদের যুক্তিহীন গল্প শুনিয়ে যাচ্ছেন উনার পছন্দমত বার্তাবাহকদের দ্বারা এমনভাবে যেন আমাদের উনাকে উপাসনা করতেই হবে; না করলে শাস্তি। আমার মনে হয় না ঈশ্বর কোনো স্বৈরশাসক বা সম্রাট যিনি চান আমরা উনার সম্মান করি ও ভয় করি। আমি ভদ্রমহিলাকে বললাম, “এসব চিন্তা-ভাবনা শুধুমাত্র অল্প শিক্ষিত মানুষজনদের অলীক কল্পনা বা মিথ্যা বিশ্বাস। এরকম সাধারণ নৃতাত্ত্বিক ধর্মীয় ব্যবস্থা হিন্দুধর্মের লোকদের মধ্যেও আছে যারা ঈশ্বরকে একজন ব্যক্তির ন্যায় বিশ্বাস করে।”
হিন্দুধর্মের মধ্যেও এমন কুসংস্কার আছে। হিন্দুধর্মের দার্শনিক দিকগুলো এসব কুসংস্কারকে ভুল প্রমাণ করে। “তাও ভালো আপনি স্বীকার করলেন আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। তা, আপনি তো বললেন আপনি প্রার্থনা করেন। আপনাদের প্রার্থনা কি তাহলে?” ভদ্রমহিলা জিজ্ঞেস করলেন। “লোকো সমস্ত সুখিনো ভবন্তু। ওঁম শান্তি শান্তি শান্তি।”
“এর অর্থ কি?”
“জগতের সকল কিছু সুখে থাকুক। শান্তি! শান্তি! শান্তি!”
“হুমম…আকর্ষণীয়। আমি আরো জানতে চাই এই ধর্ম সম্পর্কে। এ এমন গণতান্ত্রিক, এমন স্বাধীন, উদারপন্থী।” উনার আগ্রহ বেড়ে গেল।
“হিন্দুধর্ম হলো একজন ব্যক্তির ধর্ম, ব্যক্তির জন্য ধর্ম, ব্যক্তির দ্বারা ধর্ম যার শিকড় রয়েছে বেদ ও গীতার মতো ধর্মগ্রন্থে। পুরো বিষয়টা হলো একজন ব্যক্তির ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানো তার নিজস্ব ব্যক্তিগত মাধ্যমে, তার নিজস্ব মানসিকতা ও অন্তর্নিহিত বিবর্তনের মাধ্যমে – ইহা এমনি সহজ।”
“কিভাবে তাহলে একজন ব্যক্তি হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত হয়?”
“কেউ আপনাকে হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত করতে পারবে না। এ কোনো ধর্ম নয়। বরং এক জীবনপ্রণালী, জীবনে চলার রীতি-নীতি সম্বলিত ব্যবস্থা। সকল কিছুই হিন্দুধর্মে গ্রহণযোগ্য কারণ কোনো একক কর্তৃত্বধারী বা সংগঠন নেই যা এর ব্যবস্থাকে বাতিল ঘোষণা করবে বা এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করবে।”
“যেমন ধরুন একজন প্রকৃত অন্বেষণকারীর কাছে বাইবেল গাইডলাইনের মতো যখন ইহা বলে ‘ঈশ্বরের রাজ্য আপনার মধ্যেই।’” আমি উনাকে মনে করিয়ে দিলাম যীশুর শিক্ষাসমূহ যাতে উনি আমাদের সকলকে ভালোবাসতে বলে গেছেন। এখানেই আপনি পাবেন জীবনের অর্থ। সৃষ্টির সকল কিছুকে ভালোবাসাই হলো পরম সত্য। “ঈশ্বর বিরাজিত সকল কিছুতেই। কিছুই ঈশ্বর থেকে দূরে নয় কারণ ঈশ্বর সকল কিছুতেই। সকল জীব ও জড়কে ঈশ্বর জ্ঞানে সম্মান করা উচিত আমাদের। ইহাই হিন্দুধর্ম আমাদের শিক্ষা দেয়। এই কারণেই একে বলে সনাতন ধর্ম, চিরন্তন বিশ্বাস। এ এক ধর্ম নামক রীতি দ্বারা চালিত যার অর্থ জীবন চলার প্রথা। হিন্দুধর্মের সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে নিজের প্রতি সৎ থাকা। এর কোনো একক ধ্যান-ধারণা নেই। এটি সকল কিছুর কাছেই উন্মুক্ত। হিন্দুরা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করে যিনি আবার নানা রূপধারণ করতে পারেন। হিন্দুদের কাছে ঈশ্বর সময়হীন ও আকারহীন। বর্তমান হিন্দুদের আদি পূর্বপুরুষগণ বিশ্বাস করতেন চিরন্তন সত্য ও মহাজাগতিক নিয়ম-কানুনে। এইসব সত্য বা নিয়ম-কানুন সবার কাছে উন্মুক্ত যে এ সম্পর্কে আরো গভীরে যেতে চান। কিন্তু হিন্দুদের মাঝেও এমন অংশবিশেষ রয়েছে যারা কুসংস্কারে বিশ্বাস করে অথবা ধর্মীয় উগ্রপন্থী যারা ধর্মকে উলট-পালট করে দিতে চায়।”
অভারতীয়রা হিন্দু শব্দটির জন্ম দেয় সিন্ধু নদের উপত্যকায় উৎপত্তির জন্য। এর ফলে ওই অঞ্চলের মানুষদের তখন হিন্দুধর্মাবলম্বী হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। আমি ভদ্রমহিলাকে বললাম, “ধর্ম এখন এক মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রীতে রূপান্তরিত হয়েছে যা ধর্মান্তরের মাধ্যমে প্রসারের মার্কেট শেয়ার বাড়াতে চাচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যবসা হচ্ছে আধ্যাত্বিকতা। হিন্দুধর্মও ইহা ভিন্ন নয়।”
“আমি একজন হিন্দু কারণ হিন্দুধর্ম অসহিংসতার ডাক দেয়। ‘অহিংসা পরমো ধর্ম’ – অসহিংসতা হচ্ছে সর্বোচ্চ কর্তব্য। আমি একজন হিন্দু কারণ ইহা আমার মনকে কোনো বিশ্বাস ব্যবস্থার সাথে শর্ত জুড়ে দেয় না। একজন পুরুষ/মহিলা যে তার জন্মগত ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়, সে হলো নকল/ভন্ড এবং তার নিজস্ব আদর্শ, সংস্কৃতি ও জীবনের মূল্যবোধকে মূল্য দেয় না। হিন্দুধর্ম হচ্ছে জগতের প্রথম উৎপন্নিত ব্যবস্থা।”
হিন্দু হিসেবে গর্ববোধ করা উচিত। আমরা যে যাহাই, তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত।
.............................................................................
ফেইসবুকে এক গ্রুপের মাধ্যমে উপরোক্ত লেখাটি পাই। ইংরেজীতে লেখাটি শুধু বাংলায় অনুবাদ করলাম। বাংলায় জ্ঞান সীমিত বিধায় কোনো প্রকার ত্রুটী থাকলে মার্জনা করে দিবেন। লেখাটির মূল লেখক আমি নই। প্রকৃত লেখক কে সেটি ওই গ্রুপের পোস্টধারী নিজেও নন। তাই লেখার ক্রেডিট কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে কাউকে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দুঃখিত।

এটি সকল ধর্মাবলম্বী মানুষদেরই পড়া উচিত। উপরের অনেক বিষয়ই আছে যা হিন্দুধর্মাবলম্বীরা জানেন না অথবা অন্য মতাদর্শীরাও অবগত নন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে লেখাটি অনুবাদ করা হয়নি।
Arunima Roy
Arunima Roy
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

লিঙ্গ : Female
পোষ্ট : 21
রেপুটেশন : 0
শুভ জন্মদিন : 09/01/1993
নিবন্ধন তারিখ : 04/12/2011
বয়স : 26
অবস্থান : Dharmanagar
পেশা : CPMS

Back to top Go down

আমি কেন হিন্দু? Empty Re: আমি কেন হিন্দু?

Post by সুপ্রিয় on 2013-02-24, 15:44

ভাল লাগলো - অনেক ধন্যবাদ ।

সুপ্রিয়
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 22
রেপুটেশন : 10
নিবন্ধন তারিখ : 23/02/2013

Back to top Go down

আমি কেন হিন্দু? Empty Re: আমি কেন হিন্দু?

Post by sampa tripura on 2013-06-20, 18:18

iss! খুব খুশি
sampa tripura
sampa tripura
তারকা সদস্য
তারকা সদস্য

লিঙ্গ : Female
পোষ্ট : 139
রেপুটেশন : 5
শুভ জন্মদিন : 16/11/1995
নিবন্ধন তারিখ : 07/05/2011
বয়স : 24
অবস্থান : ভারত
পেশা : ছাত্রী
মনোভাব : ঠান্ডা

http://www.co

Back to top Go down

আমি কেন হিন্দু? Empty Re: আমি কেন হিন্দু?

Post by Sponsored content


Sponsored content


Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum