Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

পবিত্র কুরআনের অত্যান্ত গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত !

Go down

পবিত্র কুরআনের অত্যান্ত গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত ! Empty পবিত্র কুরআনের অত্যান্ত গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত !

Post by herarnoor on 2012-08-01, 06:58

বিশ্ব সভ্যতায় ইসলাম এবং আল কুরআনের অবদান কতটুকো চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই বিষয়টি উপলদ্ধি করে থাকবেন। প্রাকৃতিক বিশ্বে এমন কোন জনপদ নেই যেখানে এই মহান গ্রন্থের কোন না কোন কল্যানময় প্রভাব নেই। বিগত ১৪০০ বৎসর যাবত এমন কোন শতাব্দী অতিক্রম করেনি যে শতাব্দির অমুসলিম দার্শনিকগন পর্যন্ত বিশ্ব সভ্যতায় এই গ্রন্থের অবদানকে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সুতরাং এই গ্রন্থে যে এক মহা শক্তি লুকায়িত এতে সন্দেহ নেই। হাদিস শরিফে মহানবী এরশাদ করেন যে ব্যক্তি পবিত্র কুরআনের মাত্র একটি অক্ষর পড়ে তার আমলনামায় দশটি নেকি লিখা হয়ে যায় ! অন্য একটি হাদিসে মহানবী এরশাদ করেন যে ব্যক্তি রাতে কিছুক্ষন কুরআনের বিষয়বস্তুর উপর চিন্তা ভাবনা করে তার আমলনামায় সাড়া রাত নফল এবাদতের সওয়াব লিখা হয় ! এই হাদিস দ্ধারা প্রমানিত হয় যে ব্যক্তি শুধু কুরআন পড়ে তারচেয়ে কুরআন যে ব্যক্তি গবেষনা করে তার মুল্যে মহান আল্লাহর নিকট অনেক বেশি! অতপর যে ব্যক্তি কুরআন গবেষনার পর সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা করে তার মযর্াদা যে ব্যক্তি শুধু গবেষনা করে তার চেয়ে অনেক বেশি ! অতপর যে ব্যক্তি কুরআন গবেষনার পর নিজে আমল করে এবং পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাচানোর জন্য কুরআনের হেদায়েত অনুসরন করার মরমী আহবান জানায় তার মর্যাদা যে ব্যক্তি শুধু কুরআন গবেষনা করে ও নিজে আমল করে তার চেয়ে মহান আল্লাহর দরবারে অনেক বেশি ! পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে ''হে মুসলমগন। তোমরা তোমাদের পরিবারকে সদুপদেশ দান করার মাধ্যমে জাহন্নামের আগুন থেকে বাচাও'' অতপর যারা এই দায়িত্ব পালন করার পর নিকট আত্বীয় স্বজন, প্রতিবেশি ও সমাজের আত্বভোলা লোকগুলোকে কুরআনের হেদায়েতের দিকে আহবান জানায় তার মর্যাদা মহান রবের নিকট কত উপরে সেটা তিনিই ভাল জানেন। অনেকেরই ধারণা আল্লাহর এবাদত বন্দেগী করার জন্য কিছু মাসয়ালা মাসায়েল এবং কিছু সুরা মুখস্ত করে নেওয়াই সাধারন লোকদের জন্য যথেষ্ট। অনেকেই মনে করেন কুরআনের মর্মবানী অনুধাবন করা সাধারন লোকদের পক্ষে সম্ভবপর নয়, এই কুরআন অনুধাবন করবে আলেমগন আর আমরা যেহেতু সাধারন মানুষ তারা কি বলে আমরা তা শুনব! বস্তুত ইহা এক প্রকার শয়তানের ধোকা ব্যতিত আর কিছুই নয় কারন আলেম বা মুরবি্বগন কুরআনের সঠিক ব্যক্ষা দিচ্ছে নাকি অপব্যক্ষা দিচ্ছে সেটা হৃদয়ঙ্গম করার জন্যইত প্রত্যেক শিক্ষিত লোকদের কুরআনের মর্মবানী অনুধাবন করার জন্য সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন যেন প্রত্যেকটি শিক্ষিত লোক ইসলামী জ্ঞানে সয়ং সম্পূর্ন হয়ে অন্তরদৃষ্টি লাভ করতে পারে। একটি কথা প্রত্যেক মুসলিমকে স্বরন রাখা প্রয়োজন রাসুলের সকল সাহাবীর কুরআন হাদিসের জ্ঞানের উপর পূর্ন দখল ছিল। আল্লাহ পাক মুসলিম জাতীকে লক্ষ্য করে বলেন আমি কুরআন অনুধাবন করার জন্য সহজ করে দিব অতএব এমন কোন চিন্তাশীল তোমাদের মধ্যে আছে কি ? লক্ষ্য করে দেখুনত উক্ত আয়াতে সমগ্র মুসলিম জাতীকে কুরআন অধ্যায়ন করতে বলা হয়েছে নাকি শুধু আলেমদেরকে ? আর যারা কুরআন গবেষনা করবে তাদেরকে উক্ত আয়াতে চিন্তাশীল অভিহিত করা হয়েছে এর চাইতে সোভাগ্যের বস্তু আর কি হতে পারে বলুনত। আর যারা কুরআন অধ্যায়ন নিষ্পয়োজন মনে করে তাদের জন্য রয়েছে একটি ভয়ংকর আয়াত। এরশাদ হচ্ছে ''(হে মুসলিম জাতী) তোমরা কি কুরআনের শিক্ষামালার উপর চিন্তা ভাবনা করবেনা নাকি তোমাদের অন্তর তালাবদ্ধ ? হয়ত অনেকেই জানেন তালাবদ্ধ শব্দটি কাফেরদের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ''এরশাদ হয়েছে ''তাদের হৃদয় কান তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং তাদের দৃষ্টির উপর আবরন পরে গেছে আর তাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে অত্যান্ত কঠিন শাস্তী। আল্লাহ পাক যেন বুঝাতে চাচ্ছেন কুফরী করার কারনে কাফেরদের অন্তর যেমন তালাবদ্ধ ঠিক তেমনিভাবে যে সমস্ত আত্বভোলা মুসলিম কুরআনের মত বৃহত্তম নেয়ামত পেয়েও তার মর্মবানী উপলদ্ধি করা নিষপ্রয়োজন মনে করে তাদের অন্তরটাও ঠিক কাফেরদের মতই তালাবদ্ধ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যারা আলেম নয় তাদের জন্য সহজে কুরআনের উপর মুটামুটি একটি ভাল ধারনা অর্জন করার উপায় কি ? আমি সংক্ষেপে বলব এখন বড় বড় ইসলামী চিন্তাবিদদের তাফসীর বাংলা অনুবাদ হয়ে গেছে এটা বাঙ্গালী জাতীর জন্য সোভাগ্যই বলা যায় যেমন মাআরেফুল কুরআন, ফী যিলালিল কুরআন, ইবনে কাসীর, তাফসীরে তাবারী, তাফসীরে আশরাফী, তাফসীরে উসমানী, তাফসীরে কাবীর, ইবনে আব্বাস, নুরুল কুরআন, তাফহীমুল কুরআন এবং তাফসীরে রুহুল মাআনী। বস্তুত এগুলো হচ্ছে ইসলামী জ্ঞানের একেকটি খনি। আপনি যে কোন একটি তাফসীর ক্রয় করে প্রত্যেহ যদি ১/২ ঘন্টা সময় আল্লাহর কুরআনের জন্য বরাদ্ধ করেন তাহলে এমন কি ক্ষতি হয়ে যাবে। সুতরাং মহাবিশ্বের মহাবিষ্ময় আল কুরআনের জ্ঞানের মহাসমুদ্রে আপনি কি সাতার দিতে প্রস্তুত ? একটি তাফসীর সেট করতে হলে আপনাকে কমপক্ষে ৩৫০০ টাকা নিয়ে যেতে হতো মার্কেটে আর এখন কতিপয় লোকদের সাধনায় পাচ্ছেন ফ্রি ! এছাড়াও পৃথিবীর সেরা সেরা ইসলামী চিন্তাবিদদের দুই শতাধিক বই ডাইনলোড করতে পারবেন ফ্রি যার মার্কেট ভেলু প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা ! আর যে ৩৪৬ টি আয়াত নিয়ে আজকে উপস্থিত হয়েছি এই আয়াতগুলো এতই গুরত্বপূর্ন যে কেহ না পড়লে উপলদ্ধি করতে পারবেনা, সন্দেহ নেই যে কুরআনের প্রতিটি কথাই মুল্যেবান তথাপী বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে এক আয়াতের উপর অন্য আয়াতের গুরত্ব ও মর্যাদা অনস্বীকার্য। দৃয়তার সঙ্গে বলতে পারি আপনারা যদি এই গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ আয়াত প্রথমে পড়ে অতপর কুরআন গবেষনা শুরু করেন তাহলে কুরআন বুঝতে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। দির্ঘ একযুগ কুরআন গবেষনা করে যে আয়াতগুলো বেশি গুরত্বপূর্ন মনে করেছি সেগুলোই বাছাই করেছি। কথায় কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি প্রতাস্যা করছি। আপনারা কিছুটা উপকৃত হলে আমার এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

কেন কুরআন গবেষনা করবেন ?
নিজে স্রষ্টার নির্দেশিত পথে অন্তরদৃষ্টির সঙ্গে চলার জন্য।
পরিবারবর্গকে সতর্ক করার জন্য।
প্রতিবেশিকে সতর্ক করার জন্য।
বন্ধু মহলকে সতর্ক করার জন্য।
আত্বীয় স্বজনকে সতর্ক করার জন্য।
শাসক গোষ্টিকে সতর্ক করার জন্য।
অমুসলিম সমপ্রদায়কে সতর্ক করার জন্য।
আত্বভোলা মুসলিম ভাইদের সতর্ক করার জন্য।

৩৪৬ টি আয়াত প্রায় ৪৪০০০ কেবি। কয়েকটি ফোরামে সরাসরি পোষ্টিং দেওয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু হয়নি তাই পবিত্র কুরআনের গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত সম্পূর্ন পড়ার ইচ্ছ থাকলে নিচের সাইটিতে একটু কষ্ট করে যান। সাইটটিতে ডান সাইটে কুরআনের আয়াতের একটি লিংক পাবেন। উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এই সাইটটি প্রচার করছি, লিংক প্রচারের সঙ্গে এই পোষ্টের কোন সম্পর্ক নেই সুতরাং কুধারনা করা অনুচিত হবে। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে তোমরা অপর ভাইয়ের প্রতি ধারণা অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা হইতে বিরত থাক কারন তোমাদের অনেক ধারনাই মিথ্যা হয়ে থাকে। আশা করি এই আয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ধারণা অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা হইতে বিরত থাকবেন। তাহলেই সকলের মধ্যে সোহার্দ সমপ্রিতি বজায় থাকবে। আর যারা মানব সমপ্রদায়ের নিকট ইসলামের মর্মবানী প্রচার করে তাদের ক্ষেত্রে কোন নীতি অবলম্বন করতে হবে সেই কথাও আল্লাহপাক বলে দিয়েছেন। এরশাদ হয়েছে ''যারা দ্বীন প্রচার প্রসারের কাজে এমনভাবে জড়িত যে কোন কাজ করার সময় পায়না তাদেরকে তোমরা সাহায্য কর'' আল কুরআন। উক্ত আয়াতের মৌলিক শিক্ষা হল যারা দ্বীন প্রচারের কাজ করে তাদের বিরোধিতা করাত যাবেই না বরং তাদেরকে অর্থ দিয়ে সেটা না পারলে অন্ততপক্ষে প্রেরণা এবং বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করা ঈমানী দায়িত্ব। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বিষয়টি বুঝার তওফিক দান করুন। আপনি যদি সাড়া জীবন আনলিমিটেড সওয়াব বাসায় বসে ফ্রি পেতে চান তাহলে এই প্রবন্ধটি আপনার পরিচিতি মহলে শেয়ার করুন তারা আপনার প্রচার থেকে যত নেক আমল করবে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তাদের ভবিষ্যত বংশধর যত নেক আমল করবে তার একটি অংশ আপনার আমলনামায় অটো আসতে থাকবে, এই বিষয়টি কুরআন হাদিস দ্ধারা প্রমানিত সত্য। অসম্ভব নয় যে কেয়ামতের ময়দানে এটাই আপনার জন্য নাজাতের উসিলা হয়ে যেতে পারে।islambd dot org

herarnoor
আমি নতুন
আমি নতুন

পোষ্ট : 6
রেপুটেশন : 0
নিবন্ধন তারিখ : 01/08/2012

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum